KOLKATA POLICE : প্রাণঘাতী চিনা মাঞ্জার যম! আকাশে উড়বে লালবাজারের সুপার ড্রোন
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- বিশ্বকর্মা পুজোয় চিনা মাঞ্জার আতঙ্ক রুখতে বড় পদক্ষেপ লালবাজারের (KOLKATA POLICE )। কোটি টাকা খরচে দুটি অত্যাধুনিক ড্রোন আনছে কলকাতা পুলিশ (KOLKATA POLICE ), যা শক্ত মাঞ্জার সুতো কেটেও এগিয়ে যাবে।
প্রতিবছর বিশ্বকর্মা পুজোর সময় আকাশে ঘুড়ির লড়াই বাড়ে, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে প্রাণঘাতী চিনা মাঞ্জার ব্যবহার । এই সুতো এতটাই ধারালো যে বাইক আরোহীদের গলায় জড়িয়ে মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। গত মাসেই মা ফ্লাইওভারে ডিউটি যাওয়ার সময় চিনা মাঞ্জায় জড়িয়ে রক্তাক্ত হয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের
(KOLKATA POLICE ) এক আধিকারিক। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। গত কয়েক মাসে শহরে একাধিক এমন ঘটনা ঘটেছে।
এই সমস্যা মেটাতেই এবার প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে লালবাজার। যে দুটি নতুন ড্রোন কেনা হচ্ছে, তার ব্লেড সাধারণ ড্রোনের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী ও ধারালো। ফলে আকাশে চিনা মাঞ্জা সামনে পড়লেও তা কেটে নিজের রাস্তা তৈরি করে নেবে। পাখায় সুতো জড়িয়ে ড্রোন ভেঙে পড়ার যে ঝুঁকি থাকে, তা এই ড্রোনে থাকবে না।
পুলিশ সূত্রে খবর, আপাতত এই ড্রোন দুটি দিয়ে বিশ্বকর্মা পুজো ও আসন্ন উৎসবের মরশুমে দিন ও রাতে ভিড়ের উপর আকাশপথে কড়া নজরদারি চালানো হবে। থার্মাল ও নাইট ভিশন ক্যামেরার সাহায্যে ভিড়ের মধ্যে কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু থাকলে তা সহজেই শনাক্ত করা যাবে। ড্রোনটি ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার গতিতে টানা ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত উড়তে পারবে। প্রয়োজনে ৮ কিলো পর্যন্ত জরুরি সামগ্রী এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে দিতে পারবে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, মাটিতে থাকা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে বা ব্যাটারি কমে গেলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরাপদে নেমে আসবে।
লালবাজারের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, এবারের পুজোয় নজরদারির কাজ দিয়ে শুরু হলেও আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই ড্রোনকে সরাসরি চিনা মাঞ্জা শনাক্তকরণের কাজে ব্যবহার করা হবে। আকাশে কে বা কারা নিষিদ্ধ সুতো দিয়ে ঘুড়ি ওড়াচ্ছে, তা ড্রোনের ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
