Himachal Heavy Rain: ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল, নেমে আসা প্রবল জলের স্রোতে বন্ধ জাতীয় মহাসড়ক
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- রাজ্যে বর্ষা প্রবেশের পর থেকেই একাধিক রাজ্যে দুর্যোগের ঘন কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। হিমাচল প্রদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে; এর ফলে সৃষ্ট প্রবল আকস্মিক বন্যায় উপজাতি-অধ্যুষিত কিন্নর জেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চোলিংয়ের কাছে রাতের বেলা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে হঠাৎ জল ও ধ্বংসস্তূপের প্রবল স্রোত নেমে আসে, এর ফলে ৫ নম্বর জাতীয় মহাসড়কটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং রাস্তায় বেশ কয়েকটি যানবাহন আটকা পড়ে। তৈরি হয় প্রবল যানজট। তবে কিন্নরের এই মহাসড়কটি রাজ্যের অন্যান্য অংশের যুক্ত একটি লাইফলাইন। হতা হতের খবর পাওয়া যায়নি।
সরকারি সূত্রে খবর, আকস্মিক বন্যায় কাদা, পাথরের সঙ্গে ধবংসাবশেষ একসঙ্গে এসে পড়ায় হাইওয়েটি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে যায়। রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই অংশ দিয়ে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি যানবাহন ধ্বংসস্তূপের কবলে পড়ে আটকা পড়ে যায়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাই নিরাপদ আছেন এবং কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করেছে।
কিন্নরের ডেপুটি কমিশনার ড. অমিত কুমার শর্মা বলেছেন, “চোলিংয়ের কাছে রাস্তা পরিষ্কার এবং আটকে পড়া গাড়িগুলোকে উদ্ধারের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে এবং অবরুদ্ধ জাতীয় সড়কে দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা চলছে।” কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে তাঁরা পরিস্থিতির ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখছে, গুরত্বকে সামনে রেখে এই কাজ তৎপরতার সঙ্গে চলছে।
জাতীয় মহাসড়ক ৫ হিমাচল প্রদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কপথ, যা রাজ্যের শিমলা ও অন্যান্য অংশের সঙ্গে প্রত্যন্ত উপজাতীয় জেলা কিন্নরকে সংযুক্ত করে।
এই মহাসড়কে যেকোনও ধরনের বিঘ্ন স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক এবং জরুরি পণ্য পরিবহনের ওপর প্রভাব ফেলে; তাই দ্রুত সড়কটি সচল করা অত্যন্ত জরুরি। কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের পরামর্শ দিয়েছে যেন তারা চলমান বর্ষাকালে সতর্ক থাকেন এবং পাহাড়ি রাস্তায় ভ্রমণের আগে ট্রাফিক সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলেন।
উল্লেখ্য যে, হিমাচল প্রদেশে আবহাওয়া-জনিত কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে নয়জনে দাঁড়িয়েছে; পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পানীয় জল ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
