আজকের দিনেবাংলার আয়নারাজনীতি

Falta-FIR : ভোটের মুখে বিতর্কে ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান, থানায় নতুন এফআইআর !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা ,নিজস্ব প্রতিনিধি :- ২১ মে ফলতা বিধানসভার পুনর্নির্বাচনের আগে ফের বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। তাঁর বিরুদ্ধে ফলতা থানায় নতুন করে এফআইআর দায়ের হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ হওয়ায় ভোটের আগে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা ফলতা জুড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার, মারধর, ভয় দেখানো, ঘরবাড়ি ছাড়া করা এবং তোলাবাজির মতো একাধিক ঘটনায় যুক্ত ছিলেন জাহাঙ্গীর খান ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অনুগামীরা। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিরোধী মতের কর্মী-সমর্থকদের কোণঠাসা করার অভিযোগও উঠেছে বারবার। এবার পুনর্নির্বাচনের মুখে সেই সমস্ত পুরনো অভিযোগকে সামনে এনে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। সূত্রের খবর, দায়ের হওয়া এফআইআরে একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মারধর, হুমকি, তোলাবাজি ও বেআইনি জমায়েতের মতো ধারা রয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যদিও এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই ভোটের আগে বিরোধীরা এই ধরনের অভিযোগ তুলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, মানুষের আস্থা রয়েছে জাহাঙ্গীর খানের উপর। ভোটে হার নিশ্চিত বুঝেই বিরোধীরা কুৎসা রটাচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, “ফলতার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচারের শিকার। এতদিন ভয়ে মুখ খোলেননি কেউ। এবার মানুষ আইনের পথে ন্যায়বিচার চাইছেন।” বিরোধীদের অভিযোগ, প্রশাসনের একাংশের মদতেই এতদিন ধরপাকড় এড়িয়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে সুষ্ঠু ভোটের দাবিও জানিয়েছে তারা।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই ফলতা বিধানসভা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুনর্নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ঘটনাকে ঘিরে চাপানউতোর বাড়ছে তৃণমূল ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে। পুলিশ-প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে এবং এই এফআইআর ২১ মে-র ভোটের ফলে কতটা প্রভাব ফেলে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে ফলতার মানুষ। পুনর্নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক শাসক-বিরোধী লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *