‘ঢেঁড়স’ মাখলে কি সত্যিই ত্বকের জেল্লা ফিরবে ?
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতাঃ আজকাল ঘরোয়া উপাদানে রূপটানের ঝোঁক বাড়ছে ।কেউ আলু পেস্ট করে মুখে লাগাচ্ছে , তো কেউ শসা টমেটো, আবার কেউ হলুদ, টক দই, মধু,কফি সব মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগিয়ে নিচ্ছে।বাদ যাচ্ছে না কোন কিছুই । তাই বলে ঢেঁড়স….? ওই যে ট্রেন্ড বলেও তো একটা কথা আছে নাকি ।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া নানা টোটকায় মজেছে নেটপাড়া। কেউ কাঁচা ঢেঁড়স কুচিয়ে দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে মাখছেন। কেউ আবার তার আঠালো রস মুখে লাগিয়ে দাবি করছেন, বয়েস নাকি কমে গিয়ে হবে ষোলো।
নেটপ্রভাবীদের দাবি, কুচোনো ঢেঁড়সের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে মুখে মেখে ২০ মিনিট রেখে দিলে ম্যাজিক ঘটবে। সপ্তাহে দু’বার এই প্যাক ব্যবহার করলে নাকি বলিরেখা উধাও হয়। এমনকী ঝুলে যাওয়া চামড়া টানটান করতেও নাকি এর জুড়ি মেলা ভার। ব্রণের সমস্যা মেটানো থেকে ত্বকের কালচে ছোপ দূর করা— সবকিছুর দাওয়াই এখন এই সবুজ সবজি।
ঢেঁড়স পুষ্টিগুণে ঠাসা। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন সি, কে এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। ফাইবার সমৃদ্ধ এই সবজি হজমশক্তি বাড়াতে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অদ্বিতীয়। নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, যার প্রভাব পরোক্ষভাবে ত্বকেও পড়ে।
তবে পাতে যা অমৃত, ত্বকে তা বিষও হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরাসরি ত্বকে ঢেঁড়স মাখলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কাঁচা সবজির শক্ত ফাইবার স্পর্শকাতর ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এর আঠালো রস থেকে মারাত্মক অ্যালার্জি বা র্যাশ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাছাড়া, ঢেঁড়স মাখলে বয়স কমে যাওয়ার সপক্ষে এখনও কোনও জোরালো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মেলেনি।
