আজকের দিনেখেলা

মেসি ম্যাজিকে কুপোকাত জর্ডন: টানা সাত ম্যাচে গোল করে বিশ্বরেকর্ড, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, ডালাস:- বদলি নেমে ফ্রিকিকে বাজিমাত করলেন লিওনেল মেসি। জর্ডনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েই নকআউটে আর্জেন্টিনা। ডালাসের রাতটা পুরোটাই LM10-এর।

নকআউট নিশ্চিত থাকায় মেসিকে শুরু থেকে নামাননি স্কালোনি। তবু ডালাসে উন্মাদনার কমতি ছিল না। গ্যালারিজুড়ে আকাশি-সাদা জার্সি আর ‘সোল দে মায়ো’ পতাকায় ‘ফ্যান ফেস্টিভ্যাল’-এর আবহ। মেসিহীন আর্জেন্টিনাই প্রথম থেকে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে রাখে। ১৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে লো সেলসোর বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রিকিকে এগিয়ে যায় লা আলবিসেলেস্তে। জর্ডন গোলকিপার ইয়াজিদ আবুলাইলা দু’পা এগিয়ে বাঁদিকে সরে না গেলে গোল বাঁচানোর সুযোগ পেতেন। ৩০ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের জোরাল শট ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে স্টেফানো সেনসির হেডে জর্ডন ডিফেন্ডারের ফাউল। VAR-এর পরামর্শে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পটকিক থেকে ব্যবধান ২-০ করেন মার্টিনেজ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ওটামেন্ডির হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২-০ এগিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বেরোয় জর্ডন। ৫৫ মিনিটে ইহসান হাদ্দাদের ক্রসে মুসা আল-তামারির ফিনিশে ব্যবধান কমায় তারা। এরপরই ৬০ মিনিটে দর্শকদের উল্লাসের মধ্যে মাঠে নামেন মেসি। ৬৫ মিনিটে ফ্রিকিক বাইরে মারলেও ৮০ মিনিটে আর ভুল করেননি। বক্সের বাইরে পাওয়া ফ্রিকিক থেকে মানবপ্রাচীর লাফিয়েছিল উঁচু শট আটকাতে। সেই ফাঁকেই গ্রাউন্ড শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন মেসি। বাঁদিকে ফাঁকা জায়গা দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। গোলকিপার দর্শক হয়ে দেখেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তাঁর ষষ্ঠ গোল, বিশ্বকাপে মোট ১৯। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গেই ইতিহাস গড়লেন মেসি। প্রথম ফুটবলার হিসাবে বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করার বিশ্বরেকর্ড এখন তাঁর দখলে। জর্ডনের ফুটবলাররা পুরো সময়টা মেসির কাছে কার্যত বোকা বনে যান।

মেসিকে ছাড়া ২-০, মেসি নেমে ৩-১। ডালাসে ‘সংকটমোচক’ হয়েই নামলেন তিনি। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা জানিয়ে দিল — মেসি আছেন, ছন্দেও আছেন। নকআউটে প্রতিপক্ষের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় বার্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *