পর পর ছবি ফ্লপ! বৈষ্ণোদেবী তীর্থে অক্ষয় কুমার
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- পর পর ছবি ফ্লপ! বৈষ্ণোদেবী তীর্থে অক্ষয় কুমার। পরনে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবিতে দেখা গেল বলি তারকাকে। কড়া নিরাপত্তা। বৃহস্পতিবার কাটরা থেকে যাত্রা শুরু করে তিনি গুহা মন্দিরে পৌঁছে প্রার্থনা করেন এবং আশীর্বাদ নেন। তাঁর এই সফর ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। মন্দির প্রাঙ্গণে বহু দর্শনার্থী ও অনুরাগী তাঁকে একঝলক দেখার জন্য ভিড় জমান এবং অনেকেই তাঁর সঙ্গে সেলফি তোলার চেষ্টা করেন। জানা গেছে, নিজের আসন্ন ছবি Welcome To The Jungle মুক্তির আগে আশীর্বাদ নিতেই অক্ষয় কুমার বৈষ্ণোদেবী দর্শনে যান। তাঁর সফরের সময় নিরাপত্তার কড়া ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে সাধারণ তীর্থযাত্রীদের যাত্রায় কোনও বিঘ্ন না ঘটে।
অক্ষয় কুমারের এই ধর্মীয় সফরের ভিডিও ও ছবি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভক্তরা তাঁর এই আধ্যাত্মিক যাত্রাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং আসন্ন ছবির সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৈষ্ণোদেবী মন্দির ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থস্থান, যেখানে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত দর্শনের জন্য আসেন। অক্ষয় কুমারও দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে গিয়ে প্রার্থনা করার জন্য পরিচিত।
সিনেমা মুক্তি কিংবা কোনও শুভ কাজে একাধিকবার বৈষ্ণোদেবী তীর্থে গিয়েছেন অক্ষয় কুমার। ‘ভূত বাংলা’ রিলিজের সময়ে এই বৈষ্ণোদেবীতে পুজো দেওয়া নিয়ে সেই সময়কার এক পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিলেন তিনি। অক্ষয় কুমার জানান, বৈষ্ণোদেবীর কাছে মানত করেই তাঁর মা-বাবা সন্তানলাভ করেছিলেন। খিলাড়ি কথায়, “সন্তানলাভের আশায় আমার মা-বাবা বৈষ্ণোদেবীতে গিয়ে পুজো দিয়েছিলেন। ঈশ্বরের কাছে তাঁরা প্রার্থনা করেছিলেন, আমাদের একটি সন্তান দিন, তবে সে যেন খানিক দুরন্ত প্রকৃতির হয়। ঠিক তার পরের বছরই আমার জন্ম হয়। তাই আমার মা-বাবা আবারও আমাকে নিয়ে বৈষ্ণোদেবী তীর্থে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল তাঁর। তবে সেই সফরে এক চরম অভিজ্ঞতা হয়েছিল অভিনেতার। অক্ষয় জানান, হঠাৎ করেই তাঁর শরীর খারাপ হয়ে যায়। প্রচণ্ড জ্বর। প্রথমে ১০৩, তারপর সেটা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়ায়। এত জ্বর যে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেসময়ে কাটরায় কর্তব্যরত এক চিকিৎসক আমাকে তড়িঘড়ি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। কারণ তখনও সেখানকার চিকিৎসা পরিষেবা তেমন উন্নত ছিল না। অক্ষয় জানান এই ঘটনা ১৯৬৯ সালের। সেসময়ে তিনি খুদে।
