আজকের দিনেবিশ্বভারত

War-India : ব্রিকস বৈঠকে ইরান-আমিরশাহী তুমুল বাগ্‌যুদ্ধ, কড়া বার্তা জয়শংকরের !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- ভারতে আয়োজিত ব্রিকস বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে প্রকাশ্যে তর্কে জড়াল ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর বাকবিতণ্ডায় চরম অস্বস্তিতে পড়ে আয়োজক ভারত। শেষ পর্যন্ত আসরে নামতে হয় রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীকে। সম্মেলনে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়েও স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।

বৈঠকে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি ও আমিরশাহীর বিদেশমন্ত্রী খলিফা শহিন আল মারারের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। আলোচনার সময় আমিরশাহীর জ্বালানি পরিকাঠামোয় ইরানের হামলার প্রসঙ্গ উঠতেই পরিস্থিতি ঘোরালো হয়। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর পালটা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা শুরু করে তেহরান। বাদ যায়নি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীও। পরে জানা যায়, জবাবে ইরানের একটি দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে আমিরশাহী। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দু’দেশের সম্পর্ক এখন তলানিতে। সেই ক্ষতই ফের প্রকাশ্যে এল ব্রিকসের মঞ্চে।
এদিনের বৈঠকে হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়। ভারতের তরফে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক আইন মেনে সমুদ্রপথ খোলা রাখা জরুরি। কোনও দেশের একতরফা পদক্ষেপ বা নিষেধাজ্ঞা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপর চাপ বাড়াচ্ছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বলেন, “হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগর-সহ সব আন্তর্জাতিক জলপথে নিরাপদ ও বাধাহীন পরিবহণ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।” কোনও দেশের নাম না করেই তিনি যোগ করেন, “সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার প্রতি সম্মানই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। সংঘাত মেটাতে সংলাপ ও কূটনীতিই একমাত্র পথ।”

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে গঠিত হয়েছিল ব্রিকস। ২০২৪ সালে সংগঠনে যুক্ত হয় মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। ২০২৫ সালে সদস্য হয়েছে ইন্দোনেশিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *