লখনউতে কোচিং সেন্টারে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ৪ কর্মকর্তা সাসপেন্ড, সিট গঠন যোগী সরকারের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- লখনউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের গ্রাসে কোচিং সেন্টার। কোথা থেকে কী হয়ে গেল, সেটাই আফশোস হতভাগ্য পরিবারগুলির। পড়তে এসে একসঙ্গে চলে গেল ১৫টি তরতাজা প্রাণ। শেষ মুহূর্তে সন্তানদের বাঁচানোর আর্তি তাড়া করে বেড়াচ্ছে পরিবারগুলিকে। আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচতে কোচিং সেন্টারের জানলা থেকে লাফ দিয়ে পড়ে পড়ুয়ারা। ফলে আহত একাধিক পড়ুয়া। সোমবার সন্ধ্যার দিকে তিনতলা কোচিং সেন্টারটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনায় শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। মৃতদের পরিবার পিছু পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় রামকৃষ্ণ উপাধ্যায়, বীরেন্দ্রেপ্রসাদ শুক্লা, তুষক কৃষ্ণ জয়সওয়াল, সুরেশ কুমার। অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রীর আলিগঞ্জের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা হলেন—বিদ্যুৎ বিভাগের জানকিপুরম ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (সংগ্রহ) গৌরব কুমার, ইন্দিরা নগর ফায়ার স্টেশনের সেফটি অফিসার (এফএসএসও) কমলেন্দ্র কুমার সিং, লখনউ ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এলডিএ)-র সহকারী প্রকৌশলী (এই) অনিল কুমার এবং এলডিএ-র জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (জেএই) প্রমোদ পান্ডে।
পুলিশ এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। সোমবার লখনউয়ের আলিগঞ্জের উষা মেহতা মার্গের তিনতলা বাড়িটি ভস্মীভূত। মোট ২২ জনকে আহত অবস্থায় লখনউয়ের কেজিএমইউ-হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাত জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে, তবে আগুন নেভানো হয়েছে।
লখনউয়ের ঘটনায় পূর্বনির্ধারিত সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মঙ্গলবার তাঁর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ছিল। কিন্তু আলিগঞ্জের দুর্ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে আহতদের পাশে দাঁড়ানোকেই এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।
