WORLD CUP FINAL :স্বপ্নভঙ্গ মেসির আর্জেন্টিনার! তোরেসের গোলে ১৬ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, স্পোর্টস ডেস্ক:- ইতিহাস ফিরে এল ২০২৬-এ (WORLD CUP FINAL) । ১৯৩০-এর পর প্রথমবার দুই স্প্যানিশভাষী দেশ স্পেন ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হল বিশ্বকাপ ফাইনালে। (WORLD CUP FINAL) কিন্তু লড়াইটা একপেশে হয়ে গেল। দাপুটে স্পেনের হাই প্রেসিং আর আধিপত্যের সামনে দিশেহারা আর্জেন্টিনা। টানা দু’বার ট্রফি জেতা হল না মেসির। ১৬ বছর পর আবার বিশ্বজয়ী লা রোহা (WORLD CUP FINAL)।
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বলের দখল, পাসিং, হাই প্রেসিং — সবেতেই এগিয়ে ছিল ফুয়েন্তের দল। বল হারানোর সঙ্গে সঙ্গেই চাপ তৈরি করে আর্জেন্টিনাকে নিজেদের অর্ধেই আটকে দেয় স্পেন (WORLD CUP FINAL) । যার ফলে ‘লা আলবিসেলেস্তে’ স্বাভাবিক আক্রমণই গড়ে তুলতে পারেনি।
আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক একাই লড়াই করেন। ফাইনালের আগে কোনও ম্যাচে ৪টের বেশি সেভ করতে হয়নি, কিন্তু ফাইনালে ৭৫ মিনিটেই ৭ বার সেভ। গোটা ম্যাচে ১৫টা সেভ করে নজির গড়েন। কিন্তু এক্সট্রা টাইমের দ্বিতীয়ার্ধে আর রুখতে পারেননি। উইলিয়ামের পাস থেকে গোল করে স্পেনকে ১-০ এগিয়ে দেন তোরেস।
কোথায় হারল আর্জেন্টিনা?
1. বোতলবন্দি মেসি: রদ্রি ও লাপোর্তে মিলে মেসিকে পুরো ম্যাচে আটকে রাখেন। এলএম১০ ছন্দে ফিরতেই পারেননি।
2. স্কালোনির ব্যর্থ পরিকল্পনা: রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলিয়ে পাল্টা আক্রমণের প্ল্যান ছিল। কিন্তু স্পেনের চাপে বল পেয়েও দ্রুত ওঠার জায়গা পায়নি আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত একটাও গোলমুখী শট নেই।
3. দিশেহারা মাঝমাঠ: ইয়ামাল, কুকুরেয়া, ওয়ারজাবালরা গোটা ম্যাচে আর্জেন্টিনার রক্ষণ ও মিডফিল্ডকে নাস্তানাবুদ করেন। ডান প্রান্ত দিয়ে বারবার আক্রমণ তৈরি করেন ইয়ামাল। দ্বিতীয়ার্ধে পারেদেস, মেদিনা, সিমিয়োনেকে নামিয়েও লাভ হয়নি। ইনজুরি টাইমে এঞ্জো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনে প্রতিরোধ আরও ভেঙে পড়ে।

স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে কার্যত একপেশে ফাইনাল জিতল স্পেন। তোরেসের একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয়ী ফুয়েন্তের ছেলেরা। দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ হাতে তোলার স্বপ্নভঙ্গ মেসির, চোখের জলে বিদায় আর্জেন্টিনার। স্প্যানিশ আর্মাডার কাছে হার মেনে নিতে হল ২০২২-এর চ্যাম্পিয়নদের।
