Pahalgam Incident: পহেলগাম হত্যাকাণ্ডে মূল চক্রী কে? চার্জশিটে নাম উল্লেখ করল এনআইএ
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- পহেলগাম হত্যাকাণ্ড, একসঙ্গে ২৬ জনের মৃত্যু। ২৫ জন পর্যটক ও একজন টাট্টু চালকের হত্যায় গর্জে উঠেছিল গোটা দেশ। অপারেশন সিঁদুর, এয়ার স্ট্রাইক করে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কড়া আক্রমণ শানিয়ে বলেন, জল আর রক্ত একসঙ্গে বইতে পারে না। এবার সেই পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সোমবার অতিরিক্তি চার্জশিট পেশ করল তদন্তকারী সংস্থা এনআই। জম্মুতে এনআইয়ের বিশেষ আদালতে পেশ করা অতিরিক্ত চার্জশিটে এনআই পাক জঙ্গি নেতা, লস্কর-ই তৈইবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের নাম মাস্টারমান্ড হিসেবে যুক্ত করেছে।
এর আগেও একাধিক সংঘঠিত অপরাধে এই পাক জঙ্গি নেতার যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তবে প্রতিবারই পাকিস্তান ভারতের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নয়া দিল্লির বিরুদ্ধে পাকবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দুষেছে। পহেলগাম কাণ্ড নিয়ে গত বছরে মে মাসে দুদেশের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ে পাকিস্তান বিশ্বব্যাপী ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথা প্রচার করে। এর আগে গত ডিসেম্বরে এনআইএ’র প্রথম চার্জশিটে পাকিস্তান এবং জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিদের নাম থাকলেও মূল ষড়যন্ত্রকারীর বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছিল। সোমবার জমা করা অতিরিক্ত চার্জশিটে এনআইএ বলেছে, পাকিস্তানে বসে লস্কর-ই তৈইবা নেতা পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। তার পরিকল্পনা মতোই হত্যাকাণ্ড সম্পাদিত হয়। এই ব্যাপারে তদন্তকারী অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ
এই ব্যাপারে তদন্তকারীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে এনআইএ। পাক জঙ্গি নেতার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সহিংতা ছাড়াও ইউএপিএ-র একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়েছে।
ডিসেম্বরে জমা করা প্রথম চার্জশিটে শীর্ষ লস্কর নেতা সাজিদ জাট, ফয়সল জাট ওরফে সুলেমান শাহ, হাবিব তাহির এবং আবু হামজার নাম রয়েছে। এরা সকলেই পাকিস্তানি। এছাড়া পারভেজ আহমেদ এবং বশির আহমেদ জোথাড় নামে জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দা দুই যুবকের নাম রয়েছে।
গত বছর ২২ এপ্রিল পহেলগামে জঙ্গিরা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ২৬ জন পর্যটককে হত্যা করে। ওই ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় এনআইএ-র হাতে। নানা দেশি-বিদেশি সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এনআইএ নিশ্চিত হয়েছে, মুম্বই হামলার মত পহেলগামের হত্যাকাণ্ডও সরাসরি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হয়েছিল। বিশদ তদন্তে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা জানতে পারে ওই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ছিল হাফিজ সইদ।
