আজকের দিনেতিলোত্তমা

‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র আনুষ্ঠানিক সূচনা, একদিনেই ২৮ লক্ষের বেশি অ্যাকাউন্টে ঢুকল টাকা

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- রাজ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্ন থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হল। প্রথম দিনেই ২৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৬৯ জনের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে প্রকল্পের টাকা।

নবান্নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেন। তিনি জানান, “বুধবার ২৮,২৫,৭৬৯ জনের অ্যাকাউন্টে ‘অন্নপূর্ণা’র টাকা ঢুকবে।” এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, “এর পর থেকে যাঁরা যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল আপ করবেন, তাঁদের ফর্মের যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলেই অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে।”অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রতীকী ভাবে পাঁচজন উপভোক্তাকে ডাকা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে তাঁদের তিন হাজার টাকার চেক তুলে দেন। যাঁরা চেক পেলেন, তাঁরা হলেন— সুমিত্রা রায়, সন্ধ্যা বাহাদুর, সুমি মান্ডি, রাজকুমারী দেবী এবং রিঙ্কু পোড়েল। মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে তাঁদের মতামত শোনেন।প্রশাসন সূত্রে খবর, ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ মূলত রাজ্যের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলোর জন্য। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। প্রথম দফায় যাঁদের কাগজপত্র যাচাই সম্পূর্ণ হয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টেই বুধবার টাকা পাঠানো হয়েছে। নবান্ন জানিয়েছে, জেলায় জেলায় বিডিও অফিস এবং পুরসভা মারফত ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ চলছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, কোনও দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে নয়, সরাসরি সরকারি ব্যবস্থায় উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। কেউ যাতে প্রতারিত না হন, সে জন্য জেলা প্রশাসনকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র মাধ্যমে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে সরাসরি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করল সরকার। প্রথম দিনেই বিপুল সংখ্যক উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাওয়ায় প্রকল্প ঘিরে আশাবাদী প্রশাসন। আগামী দিনে যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলেই নতুন আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টেও টাকা ঢুকবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *