NCPI : দলবদল ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা, ২০ বিদ্রোহী সাংসদকে নোটিস প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি :- তৃণমূল ছেড়ে NCPI-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় বড় পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, সায়নী ঘোষ-সহ ২০ জনকেই নোটিস পাঠাল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
রাজ্য বিধানসভার ফল প্রকাশের পর দিল্লিতে শিবির বদল করে তৃণমূলত্যাগী ২০ জন সাংসদ বর্তমানে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা NCPI-তে যোগ দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে ২০ জন সাংসদকে (NCPI) নোটিস ইস্যু করে বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই ২০ জন সাংসদ বেআইনি কাজ করেছেন। ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে এই ধরনের মামলা ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে, অথচ স্পিকার গত ২ মাস ধরে ওই ২০ জন বিদ্রোহীর বিষয়কেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমরা লোকসভা থেকে প্রক্রিয়া শুরু করেছি, বিধানসভাতেও দলত্যাগকারীদের বিরুদ্ধে একই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “অনেকদিন পর একটা মামলায় মুখ খুলতে হল না। সুপ্রিম কোর্ট নোটিস দিয়ে দিয়েছে। এবার দেখবেন ২০ জনের কী হয়। এই মামলা আমাদের পক্ষে গেলে দেশের গণতন্ত্রের জয় হবে।”
কটাক্ষের সুরে কল্যাণবাবু বলেন, “কেউ কেউ মোদি মোদি করে দৌড়াচ্ছে। বলছে মোদির মতো কেউ নেই। ভাল তো, মোদির মতো হওয়ার চেষ্টা করুক।”
এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। সুপ্রিম কোর্টের নোটিসের পর বিদ্রোহী ২০ সাংসদের ভবিষ্যৎ কী হয়, সেটাই এখন দেখার।
