Naihati Kali Puja : নৈহাটিতে কালীপুজো বন্ধের চেষ্টার অভিযোগ, আসরে দুই বিধায়ক
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিজস্ব প্রতিনিধি:- নৈহাটি কারিগর পাড়ায় কালীপুজো (Naihati Kali Puja) বন্ধের চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা। কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে আসরে নামলেন বীজপুর ও নৈহাটির বিধায়ক (Naihati Kali Puja)। নৈহাটি কারিগর পাড়ায় কালীপুজোয় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেসের জুট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মহ: আমিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহু বছরের পুরনো এই কালীপুজো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। এবার এলাকার মানুষজন মিলে ফের পুজো শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন (Naihati Kali Puja)। প্যান্ডেল, প্রতিমা, আলো সহ পুজোর প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই বাধা আসে বলে অভিযোগ।
বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাসের বক্তব্য, (Naihati Kali Puja) ১৯৬৬ সাল থেকে নৈহাটি কারিগর পাড়ায় পুজো হয়ে আসছে। এটা এলাকার ঐতিহ্য, আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুজো। কিন্তু তৃণমূল সরকারের আমলে নানা কারণে পুজো বন্ধ হয়ে যায়। নতুন সরকার আসার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ফের কালীপুজোর (Naihati Kali Puja) উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁদের দাবি, কংগ্রেসের ট্রেড ইউনিয়ন নেতা মহ: আমিন নানাভাবে বাধা দিচ্ছেন, ভয় দেখাচ্ছেন।
এই অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, (Naihati Kali Puja) পুজোয় বাধা দিলে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হবে। পুরনো পুজো হবেই, কেউ আটকাতে পারবে না। তাঁর এই মন্তব্যের পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় জানান, আগে এই পাড়ায় ধুমধাম করে পুজো হতো, তৃণমূল আমলে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে (Naihati Kali Puja)। তাঁর বক্তব্য, পুজোও হবে, নামাজ-ঈদ সব হবে। উভয়ে উভয়ের উৎসবে সামিল হবে, এটাই বাংলার সংস্কৃতি, এটাই নৈহাটির ঐতিহ্য। কাউকে পুজো (Naihati Kali Puja) করতে বাধা দেওয়া যাবে না।
বিজেপির সংখ্যালঘু নেতা আখতার আলি জানিয়েছেন, (Naihati Kali Puja) পুজো দাঁড়িয়ে থেকে করাবেন। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে পুজোর সমস্ত ব্যবস্থা দেখবেন। তাঁর এই বক্তব্যে এলাকার মানুষের মধ্যে সাহস বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের (Naihati Kali Puja)। এদিকে ঘটনার পর থেকে ফেরার কংগ্রেস নেতা মহ: আমিন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও প্রশাসনের (Naihati Kali Puja) তরফেও বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে।
পুরনো পুজো হবেই বলে দাবি দুই বিধায়কের (Naihati Kali Puja)। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, ধর্মীয় উৎসবে বাধা দেওয়া বাংলার সংস্কৃতির পরিপন্থী। নৈহাটি কারিগর পাড়ার এই পুজো শুধু একটি পাড়ার পুজো নয়, এটা এলাকার ঐতিহ্য, বহু মানুষের আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই যে কোনও মূল্যে পুজো হবে (Naihati Kali Puja)। দুই বিধায়কের হস্তক্ষেপের পর এলাকায় এখন চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে স্থানীয়রা পুজোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন, অন্যদিকে কংগ্রেস নেতার ভূমিকা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। শেষ পর্যন্ত পুজো নির্বিঘ্নে হয় কিনা, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা নৈহাটি। প্রশাসন কী ভূমিকা নেয়, (Naihati Kali Puja) সেটাও দেখার বিষয়।
