আজকের দিনেতিলোত্তমা

ভোট মিটতেই খুলল মদের দোকান!

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতাঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। প্রথম দফার ভোট মিটতেই আজ, শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে রাজ্যের সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান ও বার খুলে গেল। গত কয়েকদিন দোকান বন্ধ থাকায় কার্যত ‘মনমরা’ হয়ে পড়েছিলেন সুরাপ্রেমীরা। তবে আজ দোকান খোলার খবর চাউর হতেই বিভিন্ন দোকানের সামনে লম্বা লাইন চোখে পড়ছে। যদিও এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী নয়, কারণ দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য খুব শীঘ্রই ফের পড়তে চলেছে তালা।

সাময়িক স্বস্তিতে সুরাপ্রেমী ও বিক্রেতারা

প্রথম দফার ভোটের কারণে গত ২১ এপ্রিল থেকে রাজ্যের সমস্ত মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল আবগারি দপ্তর। সাধারণত ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে দোকান বন্ধের নিয়ম থাকলেও, এবার তা বাড়িয়ে ৯৬ ঘণ্টা করার সিদ্ধান্তে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্যজুড়ে। এমনকি কলকাতার মতো জেলা যেখানে প্রথম দফায় ভোট ছিল না, সেখানেও দোকান বন্ধ রাখা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।

আজ দোকান খোলায় খুশি বিক্রেতারাও। এক বিক্রেতার কথায়, “টানা কয়েকদিন দোকান বন্ধ থাকায় ব্যাপক লোকসান হয়েছে। আজ দোকান খোলায় কিছুটা সুরাহা হবে।” অনেক জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে, পুনরায় দোকান বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই স্টক মজুত করছেন সুরাপ্রেমীরা।

ফের কবে বন্ধ হবে দোকান?

আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই স্বস্তি মাত্র আড়াই দিনের জন্য। আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ফের ড্রাই ডে কার্যকর হবে। অর্থাৎ:

  • ২৬ এপ্রিল (রবিবার) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ফের রাজ্যের সমস্ত মদের দোকান ও বার বন্ধ হয়ে যাবে।

  • ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

কেন এই বাড়তি কড়াকড়ি?

নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে মদের অপব্যবহার রুখতে মরিয়া কমিশন। তবে এবার ৯৬ ঘণ্টা দোকান বন্ধ রাখা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে আবগারি কমিশনারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন খোদ নির্বাচনী আধিকারিক। আপাতত শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সুরা কেনাবেচায় কোনও বাধা থাকছে না।

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ফের কড়াকড়ি শুরু হওয়ার আগেই সুরাপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেক দোকানিকে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *