বেসরকারি হাসপাতালের খরচে রাশ! নতুন উদ্যোগ নিতে তৎপর কেন্দ্র
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,কলকাতা:- বেসরকারি হাসপাতালগুলির চিকিৎসার খরচ সকলের সাধ্যের বাইরে। সেখানে চিকিৎসা করাতে মধ্যবিত্তদের নাভিঃশ্বাস ওঠে। চিকিৎসা ছাড়াও বিভিন্ন এক্সট্রা বিল তৈরির অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায় রোগীর পরিবারের তরফ থেকে। বিষয়টি কেন্দ্রেরও নজরে এসেছে। আর তাই, কীভাবে এই সমস্ত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে চিকিৎসার বিপুল খরচ কমিয়ে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমানো যায়–তা কেন্দ্রীয় সরকারের ভাবনাচিন্তায় ছিল। অবশেষে তা নিয়ে পদক্ষেপ হতে চলেছে বলেই খবর।
সূত্রের খবর, কীভাবে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসার খরচে হ্রাস টানা যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। আর সেই তালিকার রয়েছে নানাবিধ মেডিক্যাল ডিভাইস তথা চিকিৎসার সরঞ্জাম ব্যবহারের খরচ কমানোর ব্যবস্থা করা। এই সংক্রান্ত প্রস্তাব বর্তমানে কেন্দ্রের তরফে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই খবর।
এছাড়াও জানা গিয়েছে যে, এই পরিকল্পনাগুলি বতর্মানে কেন্দ্রীয় সরকারের পর্যবেক্ষণাধীন। সেগুলি কার্যকর হলে বেসরকারি হাসপাতালগুলি আর নির্দিষ্ট টাকার অঙ্কের বাইরে ‘চার্জ’ করতে পারবে না। ফলে হাসপাতালের বিল মেটাতে গিয়ে রোগীর পরিবারকে ‘অতিরিক্ত’ টাকা দিতে হবে না।
কোন খরচে রাশ ?
চিকিৎসায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম যেমন, সিরিঞ্জ, ক্যানুলা এবং গ্লাভস। এছাড়াও রয়েছে আরও কিছু দামি জিনিস। যেমন পেসমেকার, হার্ট ভালভ প্রভৃতি। প্রসঙ্গত, এর আগে একাধিক সংস্থার অন্তর্তদন্তে দেখা গিয়েছে, কিছু কিছু বেসরকারি হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসার সরঞ্জাম ব্যবহারের যা খরচ, তার তুলনায় ১০ থেকে ৩০ গুণ বেশি টাকা নেওয়া হয়। ৩ টাকার সিরিঞ্জের দাম নেওয়া হয় ৩০ টাকা। একটি আইভি ক্যানুলা, যার দাম ৬ টাকা, বিলে সেটারই মূল্য লেখা হয় ১২০ টাকা।
আবার যে সমস্ত সরঞ্জাম এমনিতেই দামি যেমন পেসমেকার, সাধারণভাবে যার দাম প্রায় ২৫,০০০ টাকা। সেটারই দাম প্রাইভেট হাসপাতালে ধার্য করা হয় ২ লাখ টাকা। আবার হার্ট ভালভের দাম (আমদানিকৃত) এমনিতে ৪ লাখ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু হাসপাতালগুলিতে তা অনেকটা বাড়িয়ে লেখা হয় প্রায় ২৬ থেকে ৩০ লাখ টাকার মধ্যে।সেই দামের ওপর হ্রাস টানতে চলেছে কেন্দ্রের সরকার ।
