Midnapore Medical College: ফের মেদিনীপুরে মেডিক্যাল কলেজে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন ঘিরে বিভ্রাট
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- ফের মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়া নিয়ে চাঞ্চল্য। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজকে ঘিরে শোরগোল। এই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন হাসপাতালের সুপার ইন্দ্রনীল সেন। তবে এই বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সামনে আসার পরেই স্যালাইটি খুলে নেওয়া হয়েছে, রোগীকে পর্যবেক্ষ্ণে রাখা হয়েছে। অপরদিকে বিজেপি স্বাস্থ্য সেলের বক্তব্য, এটি তৃণমূল আমলে শুরু হয়েছে। এর তদন্ত হওয়া উচিত, বাদ দেওয়া উচিত কন্ট্রাক্টরকে। তবে এই ঘটনায় কোনও সমাধান হয়নি। এর আগেও মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে মাতৃমামে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইনের জেরে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এখনও সেই ঘটনারই সমাধান হয়নি। ফের নতুন করে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল।
ঘটনার জেরে প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান এবং মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ সুপারের ইতিমধ্যেই সাসপেনশন তুলে নেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। কাজে যোগ দিয়েছেন হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার জয়ন্তকুমার রাউত। সেই ঘটনার বছরখানেক ঘুরতে না-ঘুরতেই ফের সেই একই ঘটনা। মেয়াদউত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের এক রোগীকে। যা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, ৬২ বছরের বৃদ্ধা মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর পল্লীর বাসিন্দা মানসী দে গত ৫ জুন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। গতকাল তাঁর মাকে দেখতে আসেন ছেলে বিশ্বজিৎ। তিনি বলেন, “মা বারবার বলছিল যে কোনও কারণ ছাড়াই খুব বুক ধড়ফড় করছে ।” এই ঘটনা দেখতে গিয়ে দেখি যে মাকে স্যালাইন দেওয়া, তার মেয়াদ পার হয়েছে গত ২৬ মার্চ। এর পাশাপাশি ওই ওই রোগীকে সুগারের ওষুধ দেওয়া হয়েছে, তাও মেয়াদোত্তীর্ণ।
হাসপাতালের সুপার ইন্দ্রনীল সেন বলেন, ঠিক কী ঘটেছে এখনই বলা সম্ভব নয়। রোগী আপাতত স্টেবল রয়েছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট এলেই বোঝা যাবে কী হয়েছে।” হাসপাতালে ওষুধ স্টক করা থাকে। কোনওভাবে হয়তো একটা দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তা চিহ্নিত হয়েছে।”
উল্লেখ্য, মেদিনীপুর হাসপাতালে এই ঘটনা প্রথম নয়। ২০০৫ সালে প্রসূতি মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে। মৃত্যু হয়েছিল দুই সদ্যোজাতের। যদিও পরবর্তীতে করে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, স্যালাইনে কোনও সমস্যা ছিল না।
