Heatwave Europe: তীব্র দাবদহে পুড়ছে গোটা ইউরোপ, শুধু ফ্রান্সেই মৃতের সংখ্যা হাজারের বেশি
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- তীব্র দাহদহে পুড়ছে গোটা ইউরোপ। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। ফ্রান্স, ইটালি, স্পেন,পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র ও লিথুনিয়ায় অসহনীয় তাপমাত্রার দাপট। ১,৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে এক ফ্রান্সেই মৃতের সংখ্যা ১,০০০-এর বেশি। একুশে জুন পর্যন্ত এমন এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। হু-র প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ইউরোপে এ ধরনের তাপপ্রবাহ প্রায় প্রতি বছরই দেখা যাচ্ছে।
হু-র তথ্য অনুযায়ী, তীব্র গরমের প্রভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। ফলে, স্বাস্থ্য পরিষেবায় চাপ বেড়েছে। বেড়ে চলা এই তাপপ্রবাহ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছে হু। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া ও জলবায়ুকে পরিবর্তনকেই এই অবস্থার জন্য দায়ী করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট বলেছেন, অনেক এলাকায় তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও তাপপ্রবাহের চারিত্রিক প্রভাব এখনও শেষ হয়নি। তার আরও মন্তব্য, দেশে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে।
প্যারিসের জরুরি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র (সামু) জানিয়েছে, শনিবার তারা ৮০টি মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এর মধ্যে ৩০ জন হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আগের দিন শুক্রবার এই সংখ্যা ছিল ১০৯।
তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পরিসংখ্যানে শুধু প্যারিসের জরুরি চিকিৎসাসেবার আওতায় আসা মৃত্যুর ঘটনাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজধানীতে মোট কতজন মারা মারা গেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। টানা ১১ দিন ধরে ফ্রান্সের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পর এই অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রবিবার কয়েকটি এলাকায় বজ্রঝড়ের কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও, তাপজনিত অসুস্থতা কারণে হাসপাতালগুলিতে রোগীদের ভিড় বাড়ছে।
কেরাউনোস আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, শনিবার রাতে গোটা দেশে ১ লক্ষ ২৭ হাজারের বেশি বজ্রপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে প্যারিস অঞ্চল থেকে ও-দ্য-ফ্রঁস অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয়েছে। তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও সোমবার প্যারিসসহ আশেপাশের এলাকা ও দক্ষিণ পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলের মোট ২২ টি বিভাগে কমলা সর্তকতা জারি রেখেছে ফরাসি আবহাওয়া সংস্থা মেতেও ফ্রান্স।
