HIGH COURT: মসজিদের লাউডস্পিকার মামলায় হাই কোর্টে তুলকালাম, কল্যাণের নিশানায় রাজ্যের এজি
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার খোলা নিয়ে জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার হাই কোর্টে (HIGH COURT) বেনজির সংঘাত। বর্ষীয়ান সাংসদ-আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্রের মধ্যে ‘চটিচাটা’ বনাম ‘বুটচাটা’ তর্কে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এজলাস। শেষে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।
বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি চলছিল। মামলাকারী ডেনিস ফারুকির দাবি, শ্রীরামপুর, রিষড়া, চাঁপদানি, ভদ্রেশ্বর-সহ একাধিক এলাকার মসজিদ থেকে প্রায় ৪ হাজার লাউডস্পিকার খোলার জন্য মৌখিকভাবে চাপ দিচ্ছে পুলিশ (HIGH COURT)। অথচ ১৯ সালে হাই কোর্ট নির্দিষ্ট শব্দসীমা মেনে আজানের সময় মাইক্রোফোন ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছিল বলেও আদালতে জানান তিনি।
এই সওয়াল-জবাবের মাঝেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তাঁকে রাজ্যের এজি “চটি চেটে খায়” বলে কটাক্ষ করেন। পালটা কল্যাণও ছেড়ে কথা বলেননি। তাঁর কথায়, “উনি তো শুভেন্দু অধিকারীর বুট চেটে খাওয়া অ্যাডভোকেট জেনারেল।”
এজলাস থেকে বেরিয়ে কল্যাণ আরও বলেন, “মোদি এবং শাহের বিরুদ্ধে সংসদে আওয়াজ তোলার জন্য আমাকে সাসপেন্ড করা হয়। আর এখানে রাজ্য সরকারের উকিলদের অপ্রাসঙ্গিক অভিযোগ তোলার বদভ্যাস হয়ে গিয়েছে। সংবেদনশীল মামলায় রাজ্য সরকার হারছে, তাই চাপ থেকে এমন দুর্ব্যবহার।”
সরাসরি এজিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “একজন দেওয়ানি আদালতের উকিল কি কনস্টিটিউশনাল ল বুঝবেন? (HIGH COURT) সংবিধান সংক্রান্ত কোনও ধারণা ছাড়া স্রেফ টেকনিক্যাল পয়েন্ট তুলে সময় অপচয়ের চেষ্টা চলছে।”
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় শেষে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে শান্ত হয় এজলাস।
মসজিদ থেকে জোর করে লাউডস্পিকার সরানোর অভিযোগে পুলিশ কী পদক্ষেপ করেছে, তা আগামী মঙ্গলবারের শুনানিতে জানাতে হবে রাজ্যকে। আপাতত আদালত কক্ষের এই রাজনৈতিক তর্কই আলোচনার কেন্দ্রে।
