NRS NURSE DEATH : এনআরএসে নার্সের মৃত্যু: ময়নাতদন্ত হবে কলকাতা মেডিক্যালে, গঠিত অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা :- এনআরএস হাসপাতালে নার্স রূপালী বর্মণের (NRS NURSE DEATH) রহস্যজনক মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। পরিবারের দাবি মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যদপ্তর যৌথভাবে ৭ সদস্যের অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে এনআরএসে গিয়ে একথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
বুধবার রাত ৮টায় ডিউটিতে যোগ দিয়েছিলেন এনআরএসের স্ত্রীরোগ বিভাগের এইচডিইউ-র নার্স রূপালী বর্মণ (NRS NURSE DEATH)। রাত ৯টা নাগাদ রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ পরেও না ফেরায় সহকর্মী ও জুনিয়র চিকিৎসকরা ডাকাডাকি শুরু করেন। সাড়া না পেয়ে গ্রুপ ডি স্টাফদের সাহায্যে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে অবচেতন অবস্থায় রূপালীকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকরা চেষ্টা করলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।ঘটনার পর পরিবার দাবি তোলে এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হোক। মৃতার স্বামী রাহুল দাস পুলিশ ও স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে আবেদন জানান কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য। পরিবারের সেই দাবি মেনে নিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে। পরিবারকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে।একইসঙ্গে এনআরএস হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যদপ্তর একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি তৈরি করেছে (NRS NURSE DEATH)। কমিটিতে রয়েছেন এনআরএসের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট এবং ক্লিনিং বিভাগ-সহ কয়েকটি বিভাগের প্রধান। আগামী ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে এই কমিটি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এখনই আত্মহত্যা বা অন্য কিছু বলা সম্ভব নয়। বিজ্ঞানে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে, তবে তা এখনই প্রকাশ করা হবে না।” তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মৃতার স্বামীর সঙ্গে দেখা করবেন।
ময়নাতদন্ত ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্টের উপরই নির্ভর করছে রূপালী বর্মণের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। পুলিশও সমান্তরালভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীর এই রহস্যজনক মৃত্যুতে প্রশ্ন উঠছে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়েও।
