NCPI-TMC: ১০ দিনের ডেডলাইন! সাংসদদের দলত্যাগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি কালীঘাট তৃণমূলের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি :- দলত্যাগী সাংসদদের পদ বাতিল নিয়ে এবার কঠোর অবস্থান কালীঘাট তৃণমূলের (NCPI-TMC)। বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লোকসভা অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন দলের সাংসদরা। স্পিকার ১০ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। প্রায় ৩ সপ্তাহ আগে অভিযোগ জমা পড়লেও এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেস দু’ভাগ হয়ে যায় (NCPI-TMC) । লোকসভাতেও তৃণমূলের নাম-প্রতীকে জেতা ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া – এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, এনডিএ-তে যোগ দিয়ে বিজেপি সরকারকে সমর্থনও করছেন তাঁরা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও সদলবলে দেখা করেছেন।
ওই ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের দাবিতে আলাদা আলাদা ২০টি আবেদন স্পিকার ওম বিড়লার কাছে জমা করেছেন অভিষেকরা। কিন্তু ৩ সপ্তাহ কেটে গেলেও স্পিকার কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। আবার দল হিসাবে এনসিপিআই-কেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। (NCPI-TMC)
এই অবস্থায় বুধবার সংসদে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করে দু’টি প্রধান দাবি তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা।
এক: দলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি।
দুই: লোকসভায় তৃণমূল সাংসদদের আসন কেন পিছনের সারিতে করা হল।
বৈঠকের পর সংসদ চত্বরে অভিষেক বলেন, “আমরা অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছি গত মাসের ২২-২৩ তারিখ নাগাদ। তিন সপ্তাহ কেটে গেল। আমরা তাহলে আদালতে যেতে পারি।” (NCPI-TMC)
সূত্রের খবর, কালীঘাট তৃণমূল আরও এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন অপেক্ষা করবে। এর মধ্যে স্পিকার সিদ্ধান্ত না নিলে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত। অতীতে সুপ্রিম কোর্ট দলত্যাগ মামলার নিষ্পত্তির জন্য স্পিকারকে ৩ মাসের সময়সীমা বেঁধে দিলেও ততদিন অপেক্ষা করতে নারাজ কালীঘাট।
দলত্যাগ ইস্যুতে এবার আইনি লড়াইয়ের পথেই হাঁটছে কালীঘাট তৃণমূল। স্পিকারের সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করছে মামলা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াবে কিনা। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে সংসদীয় রাজনীতির এই নতুন অধ্যায়ের দিক।
