আজকের দিনেবাংলার আয়নারাজনীতি

Abhishek- Kakoli : দলত্যাগ মামলা বিচারাধীন, তারপরও কাকলিকে শীর্ষ পদে কেন? স্পিকারকে প্রশ্ন অভিষেকের

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি :- সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রদবদলকে ঘিরে বিতর্ক (Abhishek- Kakoli)। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে কীর্তি আজাদকে সরিয়ে বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে বসানোয় আপত্তি জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি (Abhishek- Kakoli) দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দলত্যাগ মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও  এই নিয়োগ (Abhishek- Kakoli) সংসদীয় রীতির পরিপন্থী।

 

শনিবার লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটির রদবদলে অনুমোদন দেওয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ (Abhishek- Kakoli) রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়েছে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। লোকসভার নথিতে তিনি এখনও তৃণমূল সাংসদ হলেও প্রকাশ্যে নিজেকে এনসিপিআই সদস্য বলে দাবি করেছেন (Abhishek- Kakoli)। তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন স্পিকারের (Abhishek- Kakoli) কাছে বিচারাধীন।

 

এই প্রসঙ্গে স্পিকারকে লেখা চিঠিতে অভিষেক উল্লেখ করেছেন, (Abhishek- Kakoli) গত ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি অনুরোধ করেছিলেন, ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে চলা দলত্যাগ মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের যেন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে বিবেচনা না করা হয়। কিন্তু এই নিয়োগ সেই আপত্তির পরিপন্থী (Abhishek- Kakoli)। চিঠিতে তিনি আরও লিখেছেন, “সংসদের ওয়েবসাইট অনুযায়ী এখনও লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ২৮ জন। কিন্তু যাঁকে (Abhishek- Kakoli) কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে তিনি নিজেকে এনসিপিআই সদস্য বলে দাবি করেছেন। তাহলে কোন দলের কোটায় তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হল? যদি তৃণমূলের কোটায় দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে দলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে (Abhishek- Kakoli) দলের মনোনীত প্রার্থীকে কেন সরানো হল?”

 

একই দিনে রাজ্যসভাতেও ৮টি কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। (Abhishek- Kakoli) বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপির সুধাংশু ত্রিবেদীকে। এই নিয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনকে চিঠি দিয়ে বঞ্চনার অভিযোগ (Abhishek- Kakoli) তুলেছেন তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। অভিষেকের সাফ দাবি, “লোকসভার সদস্যের পরিচয় সংক্রান্ত বিতর্ক ঝুলিয়ে (Abhishek- Kakoli) রেখে কাউকে চেয়ারম্যান করা সংসদীয় রীতির পরিপন্থী। এটাকে কোনওভাবেই তৃণমূলকে দেওয়া ‘চেয়ারম্যান’ হিসাবে ধরা যায় না।” অবিলম্বে এই নিয়োগ খারিজ করে যথাযথ মনোনীত সদস্যকে পদ ফিরিয়ে (Abhishek- Kakoli) দেওয়া এবং দ্রুত সাংসদ পদ বাতিলের আবেদনগুলির নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন (Abhishek- Kakoli) তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *