BJP Announced As Candidates : মোদির উন্নয়নে ভরসা, বিজেপিতে যোগ সুখেন্দুশেখর-সুস্মিতা-প্রকাশের, রাতেই প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- রাজ্যসভার উপনির্বাচনের ঠিক আগে রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধাক্কা তৃণমূলের। মোদি সরকারের উন্নয়নের মডেলে আস্থা রেখে বৃহস্পতিবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে যোগ দিলেন প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নিজে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। রাতে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এই তিন জনের নাম ঘোষণা করা হয় ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে একসঙ্গে যোগদান করেন তিনজন। সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “তৃণমূল ছেড়ে তিনজন – সুখেন্দুশেখর রায়, ভাই প্রকাশ চিক বরাইক ও সুস্মিতা দেব আজ আমাদের সঙ্গে বিজেপিতে যোগদান করলেন। মোদির নেতৃত্বে গোটা দেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে শামিল হতে চেয়েই তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলেন। আমরা আগেই বলেছিলাম, যারা চাকরি বিক্রি করেছে, দুর্নীতিতে জড়িত, তাদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ। এঁদের কারও বিরুদ্ধে এমন কোনও অভিযোগ নেই। এখন তাঁদের একটাই পরিচয়, সকলে বিজেপি।”
সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, “আর জি কর আন্দোলনের সময়ে যখন গোটা দেশ রাস্তায় নেমে গিয়েছিল, তখনই তৃণমূলের বুঝে যাওয়া উচিত ছিল যে বিপদঘণ্টা বেজে গিয়েছে। বামেরা শিল্পে খরা করে গিয়েছে। তারপর তৃণমূল এসেও কিছু হয়নি। বাম আমল দেখেছি, কংগ্রেস আমলও দেখেছি। এখন বিজেপিকে একবার সুযোগ দেওয়া উচিত।”
গত মাসে পরপর তিন তৃণমূল সাংসদের পদত্যাগের জেরে রাজ্যসভায় উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ২৪ জুলাই ভোট। বিধায়ক সংখ্যা এবং তৃণমূল শিবিরে ভাঙনের জেরে তিনটি আসনই বিজেপির দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফলে এই তিনজনকে রাজ্যসভার টিকিট দেওয়া হবে কি না তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল । রাতেই সেই জল্পনায় ইতি পড়ে। বিজেপির জাতীয় কার্যালয় থেকে পশ্চিমবঙ্গের ফাঁকা হওয়া রাজ্যসভার আসনে এই তিন জনের নাম ঘোষণা হয়।
সোমবার কলকাতায় এসে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মদিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সময় ‘সৌজন্য’ প্রেক্ষাগৃহে বৈঠকের ফাঁকে শাহের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন সুখেন্দুশেখর। তারপরই দলবদলের জল্পনা শুরু হয়েছিল।
রাজ্যসভার ভোটের মুখে তিন সাংসদের যোগদান বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি রাজ্য তৃণমূলের ভাঙনের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। এই তিন অভিজ্ঞ মুখ রাজ্যসভায় যাচ্ছেন, সংসদে বিজেপির শক্তি আরও বাড়লো বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
