আজকের দিনেবিশ্ব

Crime: ‘স্ত্রীকে খুন করেছি’ ভারতে প্রেমিকাকে ছবি পাঠিয়ে প্রমাণ স্বামীর

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- স্ত্রীকে তিনি খুন করেছেন কি না, তার প্রমাণ দিতে মৃতা স্ত্রীয়ের ছবি তুলে সেটি ভারতে প্রেমিকাকে পাঠালেন স্বামী। এর পরেই  আমেরিকায় কর্মরত সেই ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করল ওয়াশিংটন পুলিশ। স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই ইঞ্জিনিয়ারের নাম অবিনাশ নার্নে, তিনি একজন সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার। ওয়াশিংটনে একটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন।

গত বছরের ৫ জুন অবিনাশের বিয়ে হয় রজিতা সাব্বিনেনির। এর পরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ওয়াশিংটনে নিজের কর্মস্থলে চলে আসেন। গত বছরের অক্টোবরে তিনি স্ত্রীকে খুন করেন বলে অভিযোগ। এর পর ঘটনাটিকে নিছক একটি দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর,

গত বছরের ২৭ অক্টোবর তাদের ফোন করেন অবিনাশ। তিনি জানান, স্ত্রী বাথরুমে আটকে পড়েছেন। কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। রাজিতাকে

অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান। অবিনাশ পুলিশের কাছে দাবি করেন,

তিনি বাইরে কাজে গিয়েছিলেন। ৪০ মিনিট পর বাড়িতে ফেরেন। বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন স্ত্রী বাথরুমের ভিতরে পড়ে আছেন। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেন যে সময় অবিনাশ বাইরে ছিলেন, সেই সময় বাড়িতে অন্য কেউ প্রবেশ করেননি। ফলে এখানেই অবিনাশের বিরুদ্ধে সন্দেহ বাড়ে পুলিশের। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর জানা যায়, শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে রাজিকার।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ভারতে তাঁর এক প্রেমিকা রয়েছেন। দীর্ঘ সময় অবিনাশের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। এর পর তার বাড়িতে দেখাশোনা করে বিয়ে হয়। বিয়েতে বন্ধু পরিচয়ে অবিনাশের প্রেমিকা হাজিরও ছিলেন। পুলিশ জানতে পেরেছে, বিয়ের পরেও প্রেমিকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল অবিনাশের সঙ্গে। যে দিন স্ত্রীকে খুন করেন বলে অভিযোগ, সেই দিনই প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন অবিনাশ। স্ত্রীকে তিনি যে খুন করেছেন তার প্রমাণ দিতে সেই প্রেমিকাকেও পাঠান। সেই ঘটনার ৯’মাস পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার। গত ৫ জুলাই তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ভারতে তার প্রেমিকা রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ক থাকাকালীন অবিনাশের সম্বন্ধ করে বিয়েও ঠিক হয় রাজিতার সঙ্গে। বিয়েতে বন্ধু পরিচয়ে অবিনাশের প্রেমিকা হাজিরও ছিলেন। পুলিশ জানতে পেরেছে, বিয়ের পরেও প্রেমিকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন অবিনাশ। যে দিন স্ত্রীকে খুন করেন বলে অভিযোগ, সেই দিনই প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন অবিনাশ। স্ত্রীকে তিনি খুন করেছেন কি না, তার প্রমাণ দিতে সেই ছবি প্রেমিকাকেও পাঠান। সেই ঘটনার ন’মাস পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার। গত ৫ জুলাই তার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ।

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *