আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়না

Baruipur Encounter: বারুইপুর এনকাউন্টার, তদন্তভার হাতে নিল সিআইডি

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- বারুইপুর এনকাউন্টারের তদন্তভার হাতে নিল সিআইডি। মঙ্গলবার গভীর রাতে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় প্রভাস মণ্ডলের। এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। এবার এনকাউন্টারের তদন্তভার তুলে দেওয়া হল রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির হাতে। নিয়ম অনুযায়ী, জেলা পুলিশ এনকাউন্টারের সঙ্গে যেহেতু জড়িত, সেই কারণে বারুইপুর জেলা পুলিশ এই তদন্ত করতে পারে না।

সেই কারণেই পৃথক তদন্তকারী সংস্থা সিআইডিকে এই এনকাউন্টারের ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন। মঙ্গলবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল তা জানার সেটাই জানার চেষ্টা করবেন গোয়েন্দাআধিকারিকেরা। কেন পুলিশকে গুলি চালাতে হল তাও সিআইডি খতিয়ে দেখবে বলে খবর। অপরদিকে পুলিশি এনকাউন্টারের ক্ষেত্রে বিভাগীয় তদন্ত হবে। নিয়ম অনুযায়ী সেটাই হয়ে থাকে। সেইমতো এনকাউন্টারের ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত করবে সিআইডি বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

উল্লেখ্য, বারুইপুর কাণ্ডে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এক এগারো বছরের নাবালিকার দেহ উদ্ধার ঘিরে শুরু হয় চাঞ্চল্য। ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার দিনভর তাকে জেরা করে পুলিশ। রাত ১২.৪৫ নাগাদ প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুরে অর্থাৎ ঘটনাস্থলে নিয়ে যান সিটের সদস্যরা। নিয়ম অনুযায়ী ধৃতদের জেরায় বলা বক্তব্যের সঙ্গে পুনর্নির্মাণের তথ্য মিলিয়ে দেখতে হয়। সেই সময়ই শুরু হয় পুনর্নির্মাণের কাজ। জানা গেছে, হঠাৎ সিটের সদস্য সদস্য রনি সরকারের কোমরে থাকা পিস্তল কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই এক রাউন্ড গুলি চালায় সে। সেই সময় আত্মরক্ষার্থের গুলি চালান বারুইপুর থানার গুন্ডাদমন শাখার দায়িত্বে থাকা অর্ঘ্য মণ্ডল। মৃত্যু হয় প্রভাসের। দুটি গুলি লেগেছিল প্রভাসের শরীরে। একটি বুকের ডান দিকে অপরটি কোমরের উপরে। ঘটনাস্থলেই মারা যায় প্রভাস। জানা গেছে, কাঁটাপুকুর মর্গে ময়নাতদন্ত হয় প্রভাস মণ্ডলের। গভীর রাতে কড়া পুলিশ প্রহরায় দেহ সৎকার করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *