আজকের দিনেপূজা দর্পনবাংলার আয়নাযেদিকে দু-চোখ যায়

Yelbong : চলুন আপনাদের ঘুরিয়ে নিয়ে আসি কালিম্পঙের অফবিট জায়গা ইয়েলবং গ্রাম থেকে

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : পাহাড়, যেখানে হাজার বার ঘুরে আসলেও মন ভরে না (Yelbong)। ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা বারবার পাহাড়ে ছুটে যায়, শুধু মাত্র একটু শান্ত, স্নিগ্ধ পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য। এখন নামকরা পাহাড়ি এলাকা ছেড়ে অনেকে ঘুরতে যাচ্ছেন অফবিট কিছু (Yelbong) জায়গায়। যেখানে নেই মানুষের বেশি কোলাহল, আর না আছে যানবাহনের যানজট। সবুজে ঘেরা পরিবেশে নিজেকে সময় দেওয়ার জন্য যাওয়ায় যায় এই সমস্ত জায়গায়। তেমনি একটি জায়গা হলো কালিম্পঙের পাহাড়ি গ্রাম ইয়েলবং (Yelbong)।

 

ইয়েলবং হলো এমন একটি জায়গা যেখানে নেই মানুষের কোনো চিৎকার, (Yelbong) নেই কোনো ঝামেলা। প্লাস্টিক মুক্ত গ্রাম গুলির মধ্যে এই গ্রামটিও দিন দিন পর্যটকদের আকর্ষণ টানছে। সবুজ অরণ্যে ঘেরা, (Yelbong) পাহাড়ি নদীর সৌন্দর্যের পরিপূর্ণ ছোট্ট একটি গ্রাম এটি। ইয়েলবংয়ের বিখ্যাত রিভার ক্যানিয়ন এই এলাকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। পর্যটকদের মানচিত্রে বড়ো জায়গা অর্জন করেছে একই গ্রাম। (Yelbong) পুজোর আগে কিংবা পুজোর ছুটিতে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান? ইয়েলবং হয়ে উঠতে পারে আপনার ডেস্টিনেশন।

 

গ্রামটির কথা সামান্য ছড়িয়ে পড়তেই (Yelbong) শুরু হয়েছে গিয়েছে পর্যটকদের যাতায়াত। এখানে এসে থাকার জন্য রয়েছে কয়েটি হোমস্টে এবং রয়েছে কিছু টেন্ট আর ব্যবস্থা। এখানে আসাটাও খুব সহজ। লুপ পুল থেকে ইয়েলবংয়ের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার (Yelbong)। রাস্তায় আসতে আসতে দেক্যতে পাবেন প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য। চোখে পড়বে জঙ্গল ও নদীর অপূর্ব মেলবন্ধন।

 

ইয়েলবং থেকে খুব কাছেই রয়েছে লাভা, (Yelbong) লোলেগাঁও-সহ একাধিক পর্যটনকেন্দ্র। স্থানীয় হোমস্টে মালিক, গোপাল ছেত্রী বলেন, “পুজো শুরু আগেই পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। এখানে দেখার যেমন অনেক কিছু রয়েছে, তেমনি বিভিন্ন পাখি দেখতে পাওয়া যায়।”পর্যটকদের কথায়, ইয়েলবংয়ের (Yelbong) পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *