White House : হোয়াইট হাউসের সামনে এলোপাথাড়ি গুলি, জখম ২ !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- আবারও রক্তাক্ত আমেরিকা। শনিবার হোয়াইট হাউসের সামনে পেনসিলভেনিয়া অ্যাভেনিউ নর্থওয়েস্টে এলোপাথাড়ি গুলি চালাল অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক। সিক্রেট সার্ভিসের পাল্টা গুলিতে রক্তাক্ত হয় বন্দুকবাজ। হামলায় জখম হয়েছেন আরও ২ জন।
শনিবার, আমেরিকার সময় অনুসারে, হোয়াইট হাউসে কর্মরত সাংবাদিকরা হঠাৎ বেশ কয়েকবার গুলির আওয়াজ শুনতে পান। আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করেন তাঁরা। মুহূর্তে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও সিক্রেট সার্ভিস। শুরু হয় গুলির লড়াই।
সিক্রেট সার্ভিস সূত্রে খবর, হোয়াইট হাউসের কাছে থাকা চেক পয়েন্টে গুলি চালানো ওই যুবকের নাম নাসির বেস্ত। ২১ বছরের নাসির মেরিল্যান্ডের বাসিন্দা। পাল্টা গুলিতে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে সে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তার।
নিরাপত্তা আধিকারিকদের দাবি, নাসির মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। একাধিক জায়গা দিয়ে হোয়াইট হাউসে ঢোকার চেষ্টা করেছিল সে। এর আগেও আদালতের নির্দেশে তাকে হোয়াইট হাউস থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছিল। ২০২৫ সালে গ্রেফতারও হয়েছিল নাসির। নিজেকে ‘যিশু খ্রীস্ট’ বলে দাবি করত সে।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের কাছেই গুলি চলেছিল। ২৬ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজ চলাকালীন ওয়াশিংটনের হিল্টন হোটেলে গুলি চলে। অল্পের জন্য রক্ষা পান ট্রাম্প। ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই পেনসিলভানিয়ার বাটলারে নির্বাচনী সভায় ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে যায় বন্দুকবাজের গুলি। সেই হামলাকারীও নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে নিহত হয়।
বারবার হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা বলয় ভেদ করার চেষ্টা এবং প্রেসিডেন্টকে টার্গেট করে হামলা আমেরিকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে। মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের হাতে অ্যাসল্ট রাইফেল পৌঁছনো এবং একের পর এক হামলার ঘটনা প্রমাণ করছে, কড়া বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন ছাড়া এই সঙ্কট থামবে না। নাসির বেস্তের মৃত্যুতে আপাতত বিপদ কাটলেও, হোয়াইট হাউস যে এখনও টার্গেটে—তা আবারও স্পষ্ট হল।
