আজকের দিনেবিশ্ব

Iran : সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা জোরালো !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘ সংঘাত থামার ইঙ্গিত মিলল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের দাবি, যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে আমেরিকাকে ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি হয়েছে ইরান। রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, শান্তিচুক্তির বেশিরভাগ শর্তই মেনে নিয়েছে তেহরান।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা IAEA-র তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে রয়েছে প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম। পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধিকরণ প্রয়োজন। ইজরায়েলি কর্তাদের দাবি, এই ইউরেনিয়াম আরও পরিশোধন করলেই একাধিক পরমাণু বোমা তৈরি সম্ভব।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম দুই মার্কিন কর্তাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ইরানের বেশিরভাগ ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে ইসফাহান পারমাণু কেন্দ্রে। মার্কিন সেনা সেখানেই নতুন হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এর মধ্যেই সামনে এল তেহরানের নমনীয় অবস্থান।

যুদ্ধবিরতির জন্য আমেরিকা ইরানকে ৫ দফা শর্ত দিয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর। এছাড়া শর্তে বলা হয়, তেহরানকে শুধু একটি পরমাণু ঘাঁটি চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হবে। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণের দাবি মানবে না ওয়াশিংটন। তবে বাজেয়াপ্ত ইরানি বৈদেশিক সম্পদের ২৫ শতাংশ ফেরানোর ‘প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

রবিবার সকালে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরান শান্তিচুক্তির বেশিরভাগটাই মেনে নিয়েছে এবং দীর্ঘ সংঘাত থামার ইঙ্গিত স্পষ্ট। যদিও ইউরেনিয়াম নিষ্কাশনের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা হস্তান্তরের পদ্ধতি নিয়ে এখনও বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম।

উল্লেখ্য, মাত্র কয়েকদিন আগেই ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই জানিয়েছিলেন, ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে যাবে না। তারপর হঠাৎ তেহরানের অবস্থান বদলে প্রশ্ন উঠছে, মার্কিন চাপের কাছেই কি নতি স্বীকার করল ইরান? যদিও এ বিষয়ে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানায়নি ইরান।

৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় মোড়। পরমাণু অস্ত্রের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ইরান যদি সত্যিই ইউরেনিয়াম ছাড়ে, তাহলে অঞ্চলের উত্তেজনা অনেকটাই কমবে। তবে চুক্তির খুঁটিনাটি, হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং তেহরানের চূড়ান্ত অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের ঘোষণা থেকে খামেনেইয়ের নীরবতা—সবকিছুর দিকেই তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব। এই সমঝোতা কি সত্যিই শান্তি আনবে, নাকি নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের শুরু, তার উত্তর লুকিয়ে আছে আগামী কয়েক দিনের পদক্ষেপে।

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘ সংঘাত থামার ইঙ্গিত মিলল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের দাবি, যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে আমেরিকাকে ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি হয়েছে ইরান। রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, শান্তিচুক্তির বেশিরভাগ শর্তই মেনে নিয়েছে তেহরান।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা IAEA-র তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে রয়েছে প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম। পরমাণু অস্ত্র তৈরির জন্য ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধিকরণ প্রয়োজন। ইজরায়েলি কর্তাদের দাবি, এই ইউরেনিয়াম আরও পরিশোধন করলেই একাধিক পরমাণু বোমা তৈরি সম্ভব।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম দুই মার্কিন কর্তাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ইরানের বেশিরভাগ ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে ইসফাহান পারমাণু কেন্দ্রে। মার্কিন সেনা সেখানেই নতুন হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এর মধ্যেই সামনে এল তেহরানের নমনীয় অবস্থান।

যুদ্ধবিরতির জন্য আমেরিকা ইরানকে ৫ দফা শর্ত দিয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর। এছাড়া শর্তে বলা হয়, তেহরানকে শুধু একটি পরমাণু ঘাঁটি চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হবে। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণের দাবি মানবে না ওয়াশিংটন। তবে বাজেয়াপ্ত ইরানি বৈদেশিক সম্পদের ২৫ শতাংশ ফেরানোর ‘প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

রবিবার সকালে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরান শান্তিচুক্তির বেশিরভাগটাই মেনে নিয়েছে এবং দীর্ঘ সংঘাত থামার ইঙ্গিত স্পষ্ট। যদিও ইউরেনিয়াম নিষ্কাশনের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা হস্তান্তরের পদ্ধতি নিয়ে এখনও বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম।

উল্লেখ্য, মাত্র কয়েকদিন আগেই ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই জানিয়েছিলেন, ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে যাবে না। তারপর হঠাৎ তেহরানের অবস্থান বদলে প্রশ্ন উঠছে, মার্কিন চাপের কাছেই কি নতি স্বীকার করল ইরান? যদিও এ বিষয়ে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানায়নি ইরান।

৪০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে বড় মোড়। পরমাণু অস্ত্রের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ইরান যদি সত্যিই ইউরেনিয়াম ছাড়ে, তাহলে অঞ্চলের উত্তেজনা অনেকটাই কমবে। তবে চুক্তির খুঁটিনাটি, হস্তান্তর প্রক্রিয়া এবং তেহরানের চূড়ান্ত অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। ট্রাম্পের ঘোষণা থেকে খামেনেইয়ের নীরবতা—সবকিছুর দিকেই তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব। এই সমঝোতা কি সত্যিই শান্তি আনবে, নাকি নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের শুরু, তার উত্তর লুকিয়ে আছে আগামী কয়েক দিনের পদক্ষেপে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *