খামেনেইর শেষকৃত্যে ৩ সন্তান হাজির, নেই উত্তরসূরি মোজতবা, অস্তিত্ব নিয়ে ফের জল্পনা
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- ১২৬ দিন পর তেহরানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হল ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর তিন সন্তান, কিন্তু ছিলেন না উত্তরসূরি হিসেবে চিহ্নিত মোজতবা খামেনেই। তার অনুপস্থিতি ঘিরেই নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় আলি খামেনেইর। রবিবার তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে তাঁর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টি হয়।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বাবার কফিনের সামনে প্রার্থনারত অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিন ছেলে – মোস্তফা, মেসাম এবং মাসুদ খামেনেই। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবফ এবং আইআরজিসি প্রধান আহমেদ ভাহিদিও।
কফিনে ছিল ইরানের পতাকা, উপরে রাখা ছিল খামেনেইর কালো পাগড়ি। পাশেই রাখা হয় হামলায় নিহত আরও ৪ আত্মীয়ের কফিন, যার মধ্যে ছিল তাঁর এক শিশু নাতিও। আগামী ৯ জুলাই সমাহিত করা হবে তাঁকে।
তবে সবচেয়ে বড় চর্চা মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে। উত্তরসূরি হিসেবে যাঁর নাম বারবার উঠেছে, তিনি এই শেষকৃত্যে অনুপস্থিত। ফলে ফের প্রশ্ন – তিনি কি জীবিত? সুস্থ আছেন তো?
এই আবহেই বিতর্ক বাড়িয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি বলেন, “ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বরা সবাই ওখানেই রয়েছেন। একটা গুলিতেই তাদের সবাইকে খতম করা সম্ভব।” এর জবাবে ইরানের আর্মেনিয়া দূতাবাস পাল্টা লিখেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায় কিন্তু তাঁর আদর্শ বেঁচে থাকে।”
মোজতবার অনুপস্থিতিতে ইরানের পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ল। ৯ জুলাই সমাধির পরই স্পষ্ট হবে ইরানের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।
