আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়নারাজনীতি

Swapan Dasgupta : ‘সুযোগসন্ধানী নেব না’, তৃণমূল ভাঙনের আবহে দলকে বার্তা স্বপন দাশগুপ্তের !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা: – তৃণমূলের ঘর ভাঙতেই বিজেপি শিবিরে ভিড় বাড়ার আশঙ্কা। সেই প্রেক্ষিতেই দলকে আগাম সতর্ক করলেন মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। স্পষ্ট জানালেন, ‘অতীতের পাপ ধুতে আসা ভুয়ো বন্ধু’দের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের মঞ্চ হতে দেবে না বিজেপি।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূলে নজিরবিহীন ভাঙন দেখা দিয়েছে। বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করেছেন ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ক। দলের রাশ হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে পরামর্শদাতা হওয়ার আবেদন জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। মুখ্য সচেতক হিসেবে আখরুজ্জামান এবং উপনেতা হিসেবে জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহার নাম প্রস্তাব করেছে বিদ্রোহীরা। এই পরিস্থিতিতে মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমস্যার প্রতি আমার বিশেষ সহানুভূতি নেই। এটা ওদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ফল। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দলবদল করতে আগ্রহী নেতাদের বিষয়ে বিজেপিকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘আজ যারা নিজেদের অতীতের পাপ ধুয়ে ফেলতে আমাদের ঘনিষ্ঠ হতে চাইছে, সেই ভুয়ো বন্ধুদের সম্পর্কে বিজেপিকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে।’ তাঁর আশঙ্কা, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রাক্তন তৃণমূল নেতাদের দলে নিলে তৃণমূলের সহিংসতা, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক ভয়ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতিও বিজেপির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। মন্ত্রীর সাফ কথা, রাজ্যে বিজেপির বিপুল জয় এলেও তা যেন দলের মূল আদর্শ ও নীতির সঙ্গে আপস করে না হয়। সুযোগসন্ধানীদের দলে নিয়ে আদর্শ বিসর্জন দিতে রাজি নন তিনি।

ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূলের ভাঙন ধরানোই ছিল বিজেপির কৌশল। এবার সেই ভাঙনের সুযোগ নিতে আসা নেতাদের নিয়েই বিপাকে পড়তে পারে গেরুয়া শিবির। তাই আগেভাগেই ‘ভুয়ো বন্ধু’ চিহ্নিত করে দলকে দুর্নীতি ও হিংসার সংস্কৃতি থেকে দূরে রাখার বার্তা দিলেন স্বপন দাশগুপ্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *