‘১৫০ লোকও হয়নি’, তারকেশ্বরে পুজো দিয়ে মমতার ধর্নাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার তারকেশ্বর মন্দিরে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পুজো দিয়ে বেরিয়ে ধর্মতলায় ওয়াই চ্যানেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তিনি। হেসে বললেন, ‘কী দুরবস্থা! ১৫০ লোকও হয়নি।’ তৃণমূলকে ‘ফলতা হয়ে গিয়েছে’ বলেও খোঁচা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মঙ্গলবার সড়কপথে তারকেশ্বর মন্দিরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। মন্দিরের পাশে অতিথি নিবাসে দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁদের নিয়েই পুজো দেন। পুজো শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘এ বার আরও বড় করে শ্রাবণী মেলা হবে।’ তারকেশ্বর ট্রাস্টি বোর্ডের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলে তিনি জানান, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং প্রধান সচিবকে ফান্ড চালুর নির্দেশ দেবেন।মন্দিরের রং প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘মন্দিরের রং সব সময়ে আধ্যাত্মিক হওয়া উচিত। সেটাই আমরা করব।’ রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার আগে রামের মূর্তি মাথায় নিয়ে গোটা তারকেশ্বর ঘোরার কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। বলেন, ‘আজ থেকে নয়, তারকেশ্বরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেক পুরোনো। শ্রীরামের মূর্তি মাথায় নিয়ে খালি পায়ে গোটা তারকেশ্বর ঘুরেছি।’এরপরই মমতার ধর্না নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন মমতা। তা নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ‘কী দুরবস্থা! ১৫০ লোকও হয়নি।’ তৃণমূল দলটা ‘ফলতা হয়ে গিয়েছে’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। ফলতার পুনর্নির্বাচনে চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে তৃণমূল, সেই দিকেই ইঙ্গিত করেছেন শুভেন্দু বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।অভিষেক বিধায়কদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, ফোন করছেন বলে খবর। সেই নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘আমি তো শুনেছিলাম অসুস্থ। স্যালাইন-ট্যালাইন কী সব চলছে নাকি।’
তারকেশ্বরের সঙ্গে নিজের ‘নাড়ির টান’-এর কথা তুলে ধরে মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে মমতার ধর্না কর্মসূচি ও অভিষেকের ফোন-রাজনীতি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন তিনি। ‘১৫০ লোকও হয়নি’ এবং ‘ফলতা হয়ে গিয়েছে’ মন্তব্যে তৃণমূলকে চাপে ফেলার কৌশল নিলেন শুভেন্দু। পাল্টা তৃণমূল কী জবাব দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
