দ্বিতীয় দফার আগেই সন্ত্রাস,বিস্ফোরণে কাঁপল নোয়াপাড়া, আতঙ্কে এলাকাবাসী
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- আগামী বুধবার, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় রাজ্যের ১৪২টি কেন্দ্রে ভোট। তার আগে তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নোয়াপাড়া। শনিবার দুপুরে নোয়াপাড়া থানার ঠিক পাশেই এই বিকট বিস্ফোরণের শব্দে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিস্ফোরণটি থানার চত্বরের ভেতর থেকেই হয়েছে। ঘটনার অভিঘাত এতটাই প্রবল ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।স্বভাবতই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় । ভয়ে সিঁটিয়ে যান সাধারণ মানুষ। তড়িঘড়ি ছুটে যায় পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াড।
সকাল প্রায় সাড়ে দশটা। আর পাঁচটা দিনের মতই সকলেই ব্যস্ত। তার মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী প্রচারের উত্তাপও। এর মাঝেই নোয়াপাড়া থানা থেকে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যে ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি অনুযায়ী, বিস্ফোরণের তীব্রতায় স্প্লিন্টার ছিটকে গিয়ে পড়ে থানার পিছনের বসতবাড়ির ছাদে এবং উঠোনে। অল্পের জন্য বড়সড়ো বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন বাসিন্দারা, তবে হঠাৎ এই ঘটনায় এলাকায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। ভোটের আগে এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তার অভাববোধ কাজ করছে।
বিস্ফোরণের খবর পুলিশকে দ্রুত জানানো হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও তৎক্ষণাৎ সক্রিয়তা বা তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। থানার নাকের ডগায় এমন ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের এই ‘নিষ্ক্রিয়’ ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘ভোটের আগে যেখানে কড়া নিরাপত্তার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে থানার পাশেই বিস্ফোরণ ঘটছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতিও। তবে বিস্ফোরণটি ঠিক কী কারণে ঘটেছে বা এটি কোনও মজুদ রাখা বিস্ফোরক থেকে কি না, সে বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বয়ান পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন কি না, সেদিকেই এখন নজর সকলের।
