Uncategorized

ডিজিটাল পদ্ধতিতে শুরু হচ্ছে দেশজুড়ে জনগণনা, ২০২৭-এ মিলবে অধিকাংশ রিপোর্ট

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, দিল্লিঃ অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হতে চলেছে দেশের পরবর্তী জনগণনা বা সেনসাস। ১ এপ্রিল থেকে প্রথম দফার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার জেনারেল ও দেশের সেনসাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণ। এবারের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে হওয়ায় ২০২৭ সালের মধ্যেই সেনসাসের অধিকাংশ তথ্য-পরিসংখ্যান প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

সরকার প্রথম দফার জন্য ৩৩টি প্রশ্নের একটি তালিকা চূড়ান্ত করেছে। এর মধ্যে প্রধান বিষয়গুলি হলো-

বাড়ির নম্বর এবং বাড়ির পরিকাঠামো (মেঝে, দেওয়াল ও ছাদ তৈরিতে ব্যবহৃত সামগ্রী)।

বাড়ির বর্তমান অবস্থা এবং তার ব্যবহার।

সদস্য সংখ্যা, গৃহকর্তার নাম ও লিঙ্গ।

তফসিলি জাতি, উপজাতি বা অন্যান্য সম্প্রদায়ের তথ্য।

মালিকানা, ঘরের সংখ্যা এবং বিবাহিত সদস্যের পরিসংখ্যান।

কমিশনার জানান, আগে কাগজ কলমে তথ্য নিয়ে পরে তা স্ক্যান করা হতো, যা সময়সাপেক্ষ ছিল। এবার সরাসরি ডিজিটাল এন্ট্রি হবে। এমনকি সাধারণ নাগরিকরা মোবাইল বা ল্যাপটপের মাধ্যমে সেলফ এনুমারেশন বা নিজের তথ্য নিজেই জমা দিতে পারবেন। এতে গণনাকারীদের ওপর চাপ কমবে এবং তথ্যের নির্ভুলতা বাড়বে। সেনসাসের দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এই পর্যায়েই মূলত ধর্ম ও জাতপাত সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তবে জাত সমীক্ষার পদ্ধতি ও একাধিক সুপারিশ এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার আপডেট নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০১১ সালের তুলনায় দেশের মানচিত্রে বড়সড় বদল এসেছে। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে:

২০১১-র তুলনায় গ্রামের সংখ্যা প্রায় হাজারটি কমেছে (বর্তমান সংখ্যা ৬,৩৯,৯০২)।

বেড়েছে নাগরিক বসতি।

জেলে সংখ্যা ৬৪০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৮৪টি।

উপজেলা বা ব্লকের সংখ্যা ৫,৯৯০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭,০৯২-এ।

কমিশনার মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, দেশের প্রায় সব রাজ্য প্রস্তুতি শুরু করলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনও এই সংক্রান্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের এই প্রক্রিয়া শুরু করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *