আজকের দিনেখেলাতিলোত্তমাভারত

Mohun Bagan-ISL : জিতেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না মোহনবাগান, গোল পার্থক্যে শিরোপা ইস্টবেঙ্গলের !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:-যুবভারতীতে স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লিকে ২-১ গোলে হারিয়েও শেষরক্ষা হল না মোহনবাগানের। কিশোর ভারতীতে ইস্টবেঙ্গল ইন্টার কাশীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় গোল পার্থক্যে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানেই সন্তুষ্ট থাকতে হল সবুজ-মেরুনকে। সুযোগের বন্যা বইয়ে দিয়েও প্রথমার্ধে গোল করতে না পারার খেসারত দিল হোসে মোলিনার দল।

শুরু থেকেই অল আউট আক্রমণে উঠেছিল মোহনবাগান। কিন্তু গোলমুখ খুলতে ব্যর্থ হন দিমি পেত্রাতোস, জেসন কামিংসরা। ১৪ মিনিটে কিশোর ভারতীতে ইন্টার কাশী এগিয়ে যেতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে মোহনবাগান গ্যালারি। কিন্তু সেই আনন্দ ক্ষণস্থায়ী হয়।

প্রথমার্ধে একের পর এক সহজ সুযোগ নষ্ট করে সবুজ-মেরুন। ২২ মিনিটে মেহতাব সিংয়ের হেড সোজা কিপারের হাতে যায়। সাহাল, ম্যাকলারেন, দিমিত্রি— সকলেই গোলের সামনে ব্যর্থ। ৪০ মিনিটে মনবীর সিং ফাঁকা পোস্ট পেয়েও কিপারের গায়ে মারেন। তবে সবচেয়ে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন কামিংস। ৪২ মিনিটে ফাঁকা গোলে বল বাইরে মেরে হতবাক করে দেন তিনি। উল্টোদিকে তিন ডিফেন্ডারে খেলা স্পোর্টিং দিল্লি কাউন্টার অ্যাটাকে ভয় ধরায়। ৫ মিনিটেই মহম্মদ আইমেনের ফ্রি-কিক ক্রসপিসে লাগে। দ্বিতীয়ার্ধেও ছবি বদলায় না। ৫১ মিনিটে মনবীরের হেড পোস্টে লেগে ফেরে। ৬২ মিনিটে আশুতোষ মেহতার থ্রো থেকে হেডে গোল করে দিল্লিকে এগিয়ে দেন ক্লারেন্স। ৮৯ মিনিটে লিস্টনের কর্ণার থেকে হেডে সমতা ফেরান মনবীর। ৯৮ মিনিটে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে লিস্টনের মাইনাস থেকে জয়সূচক গোল করেন জেমি ম্যাকলারেন। জামা খুলে সেলিব্রেশন করলেও ততক্ষণে গ্যালারিতে খবর এসে গেছে— ইস্টবেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন। তাই সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল না।

গোটা ম্যাচে শোচনীয় ফিনিশিং, অন টার্গেট শটের অভাব আর ছন্দহীন ফুটবল ডোবাল মোহনবাগানকে। শুভাশিস বসু ডার্বির পর গোলের বন্যার কথা বললেও মাঠে তার প্রতিফলন দেখা গেল না। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে গোল পার্থক্যে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু দিনের শেষে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শিরোপা গেল লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে। জিতেও দ্বিতীয় হয়েই আইএসএল শেষ করল মোহনবাগান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *