KUNAL GHOSH : থানায় হাজিরা দিয়ে CBI-কে চিঠির হুঁশিয়ারি, কাকলির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক কুণাল
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, উত্তর ২৪ পরগনা :- কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগের ভিত্তিতে বারাসত থানায় হাজিরা দিলেন কুণাল ঘোষ (KUNAL GHOSH)। থানা থেকে বেরিয়েই নারদকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে সাংসদের বিরুদ্ধে সরব হলেন বেলেঘাটার বিধায়ক।
সমাজমাধ্যমে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হেনস্থার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে বারাসত থানায় এফআইআর দায়ের হয়। সাত দিনের মধ্যে হাজিরার নোটিস পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ একগুচ্ছ নথিপত্র নিয়ে থানায় পৌঁছন কুণাল ঘোষ (KUNAL GHOSH)।
থানা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল (KUNAL GHOSH) বলেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কারও পোস্টে কটূক্তি করা হলে সেটা তাঁর সমস্যা। আমি কেন তার দায় নিতে যাব? আমার নেতৃত্বে গোটা রাজ্যে সমাজমাধ্যম জুড়ে এটা হবে, এত বড় সংগঠক আমি নই। এ ভাবে পুলিশের সময় নষ্ট হচ্ছে।”
এরপরই নারদ প্রসঙ্গ টেনে কাকলিকে আক্রমণ করেন তিনি। কুণালের প্রশ্ন, “ক্যামেরার সামনে ঘুষ নেওয়া কাকলি এখনও বাইরে কেন? সিবিআইকে এবার আমি সেই চিঠি দেব।”
তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক। তাঁর দাবি, পুলিশ তাঁকে এমন একটি পোস্ট দেখিয়ে প্রশ্ন করেছে যেখানে তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, “আমি একটি ছবি ব্যবহার করেছিলাম। ভিনগ্রহের প্রাণী, খানিকটা শুয়োরের মতো দেখতে। তাতে আমি কারও নাম লিখিনি। অভিযোগকারী কীভাবে দাবি করতে পারেন তাঁর মানহানি হয়েছে?”
কোনও অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করেননি প্রমাণ করতে সংসদের শব্দকোষ ও অভিধান নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন বলেও জানান কুণাল।
কাকলি পরিবারের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে কুণাল বলেন, “এই সমস্ত বেইমান এবং গদ্দারের আশ্রয়স্থল এখন নবান্ন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। তাঁরা বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়ে আমার নামে অভিযোগ করাচ্ছেন।” পাশাপাশি SSKM হাসপাতালের পরিকাঠামো ব্যবহার করে বাণিজ্যিক স্বার্থে ক্লিনিক চালানোর অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবিও জানান তিনি।
