আকাশ নয়, সড়কপথে ঢাকায় এলেন বাংলাদেশের ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- বাংলাদেশের ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদী। মোদি ঘনিষ্ঠ এই দীনেশকেই কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রিসভা বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে বেছে নেয়। হাসিনার জমানায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মধুর ছিল ভারতের। এর পর পদ্মাপাড়ে মসনদে বসে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ইউনুস সরকার। সেই জমানার অবসান হয়েছে। এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে খালেদা জিয়া পুত্র তারেক রহমান। এর পরেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক মধুর করার ইঙ্গিত মিলেছিল দুই রাষ্ট্রপ্রধানের তরফে। শুক্রবার দুপুরে বেনাপোল-পেট্রোপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর এই সফর ছিল সড়ক পথে। হঠাৎ আকাশপথে না গিয়ে সড়কপথকেই বেছে নেওয়া হল কেন? দীনেশ সস্ত্রীক প্রথমে কলকাতা থেকে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তে যান। সেখান থেকে বাংলাদেশের বেনাপোল সীমান্তে পাসপোর্ট, ভিসা সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখিয়ে বাংলাদেশের পৌঁছন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে দুই দেশের সড়কপথে পরিকাঠামোর উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরতে চাওয়া হয়েছে। তা ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের পর বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে হোল্ডিং সেন্টারে রেখে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে৷ অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে কড়া ভারত সরকার। দুই দেশের মধ্যেই চাপানউতোর চলছে। সেই অবস্থায় সীমান্তে নথিপত্র দেখিয়ে দীনেশের বাংলাদেশে পা রাখার সিদ্ধান্তের পিছনে বৈধ উপায়ে এক দেশের নাগরিকের আর এক দেশে প্রবেশ করার বার্তা দিয়েছেন রাষ্ট্রদূত বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দুই দেশের প্রতিভা ও সম্পদকে কাজে লাগিয়ে খেলাধুলো, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশের একসঙ্গে কাজ করা উচিত। স্ত্রী মিনাল ত্রিবেদীকে পাশে নিয়ে ঢাকার মাটিতে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। ভারত ও বাংলাদেশ দুই উন্নত গণতান্ত্রিক দেশ। এই দুই গণতন্ত্র একত্রে কাজ করলে গোটা পৃথিবীর কাছে তা দৃষ্টান্তমূলক হয়ে উঠবে।
‘
