‘আমি না থাকলে, ইজরায়েল থাকত না’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- দীর্ঘ আড়াই মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর অবশেষে শান্তিচুক্তিতে সম্মত হয়েছে আমেরিকা ও ইরান। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী শুক্রবার, ১৯ জুন এই চুক্তিতে শিলমোহর পড়বে, অর্থাৎ সই সাবুদ হবে। এর মাঝে খবর, যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির জেরে ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ২৮ লক্ষ কোটি টাকার সহায়তা দিচ্ছে আমেরিকা। নিউইয়র্ক টাইমসে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধে ইরানের দেওয়া ক্ষতিপূরণের শর্ত মেনে নিয়েছেন ট্রাম্প। এই জল্পনার মাঝেই এবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের দাবি ‘ইরানকে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়ার যে দাবি করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
বিরোধী দল ডেমোক্র্যাট পার্টির তরফে এই মিথ্যে ছড়ানো হচ্ছে।’ ফ্রান্সে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামদ আল থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা এখনই ইরানে কোনওরকম বিনিয়োগ করবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের আরও জবাব, আমরা ইরানে কোনও আর্থিক বিনিয়োগ করছি না। তবে বিনিয়োগ করার আমাদের অধিকার রয়েছে। ইরানের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ইজরায়েলর আগ্রাসন নিয়ে এদিন সরব হয়েছেন ট্রাম্প। কড়া বার্তায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে দায়িত্বশীল হওয়ার বার্তা দেন তিনি। আমি না থাকলে, ইজরায়েল থাকত না। অন্য কোনও প্রেসিডেন্ট হলে ইজরায়েলের জন্য এতটা করত না, যতটা আমি করছি।
প্রসঙ্গত, ইরান-আমেরিকা শান্তির সম্প্রতি ১৪টি বিষয়ের উপর ভার্চুয়ালি একটি মউ স্বাক্ষর হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ইরান, লেবানন-সহ মধ্যপ্রাচ্যের বাকি অংশের যুদ্ধ বন্ধ হবে। নতুন করে কোনও যুদ্ধ হবে না সেই গ্যারান্টি দেবে ইজরায়েল ও আমেরিকা। হরমুজ থেকে অবরোধ তুলবে আমেরিকা। ইরানও হরমুজ খুলে দেবে। ইরানের জাহাজের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নেওয়া হবে। ইরানের বাজেয়াপ্ত ২৪ মিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া সহ তিরিশদিনের মধ্যে ইরানের আশেপাশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইরান পরমাণূ অস্ত্র তৈরি করবে না।
