Ashwini-Kaustov-Metro : ১৬ বছরের অপেক্ষা, বারাকপুর-বরানগর মেট্রো চালু করতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- ঘোষণার দেড় দশক পরেও বারাকপুরবাসীর মেট্রো-স্বপ্ন অধরা। জমি জট কাটিয়ে বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পে গতি আনতে এবার সরাসরি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হস্তক্ষেপ চাইলেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে প্রশাসনিক বৈঠকে উঠল প্রকল্পের ভবিষ্যৎ। পাশাপাশি বারাকপুর স্টেশনের আধুনিকীকরণ ও হকারদের মানবিক পুনর্বাসনের দাবিও তুলেছেন তিনি।
১৬ বছর আগে বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছিল। কিন্তু জমি সমস্যা সহ নানা জটিলতায় কাজ এগোয়নি। রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ আসার পর প্রকল্পে গতি আনতে তৎপর হয়েছেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি।
নবান্নে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সামনেই বারাকপুর মেট্রোর বিষয়টি তোলেন কৌস্তভ। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেছেন তিনি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত অনুমোদনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন।
শুধু মেট্রো নয়, বারাকপুর স্টেশন ঢেলে সাজানোর দাবিও জানিয়েছেন বিধায়ক। চিঠিতে উল্লেখ, মা তারা, ভাগীরথী, তিস্তা-তোর্সা, কাটিহার, শিয়ালদহ-বলিয়া, পূর্বাঞ্চল, গৌড়, কলকাতা-গুয়াহাটি গরিব রথ ও গঙ্গাসাগর এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালু করা হোক বারাকপুরে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এই স্টেশন ব্যবহার করলেও গুরুত্বপূর্ণ বহু দূরপাল্লার ট্রেন থামে না।
তাঁর অন্য দাবিগুলি হল: ‘অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম’-এ বারাকপুর স্টেশনের উন্নয়ন, ১ ও ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম জুড়তে নতুন ফুট ওভারব্রিজ, দূরপাল্লার ট্রেনের জন্য প্ল্যাটফর্ম বড় করা, ১৪ নম্বর রেলগেটে যানজট কমাতে উড়ালপুল বা সুড়ঙ্গ, বারাকপুর ও টিটাগড়ে প্রবীণদের জন্য লিফট বা এসকেলেটর, অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার, উন্নত শৌচালয় ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা।
হকার ইস্যুতেও সরব হয়েছেন কৌস্তভ। চিঠিতে লিখেছেন, স্টেশন চত্বর থেকে হকার উচ্ছেদের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে দেখা হোক। তাঁদের বিকল্প পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার আর্জিও জানিয়েছেন রেলমন্ত্রীকে।
মেট্রো ও স্টেশন উন্নয়ন নিয়ে রেলমন্ত্রীর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন কৌস্তভ বাগচি। ১৬ বছর ধরে ঝুলে থাকা বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্প এবার আলোর মুখ দেখবে কি না, উত্তর খুঁজছে বারাকপুর।
