আজকের দিনেঅন্যান্য

সইয়ের ধরন বলবে আপনার সঙ্গী কেমন?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কোলকাতা: মনোবিদ এবং হস্তাক্ষর বিজ্ঞান অনুযায়ী,কোনও ব্যক্তির স্বভাব-চরিত্র তার স্বাক্ষর বা সই থেকে আন্দাজ করা যায়। তাঁদের মতে আমাদের হাতের আঙুল স্নায়ুর সঙ্গে সরাসরি মস্তিষ্কের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

মস্তিষ্ক যেমন বার্তা দেয়, তেমনই লিখে থাকে সেই জাতক। তাই হাতের লেখা দেখেই একজন মানুষের চরিত্র, ব্যক্তিত্ব, ক্ষমতা ইত্যাদি সম্পর্কে বলে দেয়া যায়। স্বাক্ষর হল মানুষের মনের আয়না। এক এক জন ব্যক্তির সইয়ের ধরনও ভিন্ন। স্বাক্ষরের বিচিত্রতার উপর নির্ভর করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও বহু তথ্য জানতে পারা যায়। এমনকি, জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, স্বাক্ষরের ধরন দেখে মানুষের স্বভাব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অনেক কিছু ধারণা করা যায়।

সই-এর রকমারি

ঊর্ধ্বমুখীঃ- যদি সই বাম দিক থেকে ডান দিক দিয়ে উপরের দিকে যায়, তবে সেই ব্যক্তি সাধারণত উচ্চাকাঙ্ক্ষী, আশাবাদী এবং সৃজনশীল হন। তাঁরা জীবনের কঠিন সময়েও ভেঙে পড়েন না।

নিম্নমুখীঃ- সই করার সময় যদি তা নীচের দিকে নেমে যায়, তবে নেতিবাচক মানসিকতা বা আত্মবিশ্বাসের অভাব নির্দেশ করতে পারে। সেই ব্যক্তি সম্ভবত অবসাদ বা হতাশায় ভুগছেন বলে মনে করা হয়।

সোজাসুজিঃ- যে ব্যক্তিরা সোজাসুজি সই করেন, তাঁরা ভারসাম্যপূর্ণ এবং বাস্তববাদী হন। আবেগের পরিবর্তে যুক্তি দিয়ে জীবন পরিচালনা করেন।

দাগ কাটার ধরন

একটি লাইনঃ- সইয়ের নীচে একটি লম্বা দাগ থাকলে সেই ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী বলে ধরা হয়। তাঁর মধ্যে নেতৃত্বদানের ক্ষমতা রয়েছে।

দুটি লাইনঃ- স্বাক্ষরের নীচে দু’টি রেখা দিয়ে দাগ কাটা মানে, সেই ব্যক্তি নিজেকে জাহির করতে পছন্দ করেন। জনসমক্ষে নিজের গুরুত্ব বজায় রাখতে চান।

সইয়ের ওপর কাটলেঃ- অনেকে সইয়ের পর নিজের নামের ওপর দাগ কাটেন। এই ধরনের সই আত্মঘাতী স্বভাব বা নিজের কাজের উপর অসন্তুষ্টির লক্ষণ হতে পারে।

আকার ও অক্ষর

বড় সইঃ- যাঁদের স্বাক্ষর অনেক বড়, তাঁরা সাধারণত বহির্মুখী এবং অন্যের নজরে থাকতে পছন্দ করেন। তাঁদের আত্মসম্মানবোধ প্রবল হয়।

ছোট সইঃ-যাঁরা ছোট জায়গা জুড়ে সই করতে পছন্দ করেন, তাঁরা সাধারণত লাজুক, মিতভাষী এবং অত্যন্ত মনোযোগী স্বভাবের হন। ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতেই তাঁরা পছন্দ করেন।

প্রথম অক্ষর বড়ঃ-যাঁরা স্বাক্ষরের সময় নামের প্রথম অক্ষরটি অস্বাভাবিক রকমের বড় করে লেখেন, তবে সেই ব্যক্তিরা অত্যন্ত প্রতিভাবান এবং স্বাধীনচেতা স্বভাবের হন।

বিন্দু বা ডট

সইয়ের শেষে বিন্দুঃ- সই করার পর তার শেষে যদি কেউ বিন্দু দেয়, তবে সেই ব্যক্তি খুব শৃঙ্খলাপরায়ণ প্রকৃতির হন। কোনও কাজ এক বার শুরু করলে তা শেষ না করে ছাড়েন না।

বিন্দু না থাকা

যদি কোন ব্যক্তি স্বাক্ষর করার পর কোনও বিন্দু না দেন, তবে সেই সব মানুষেরা খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং মুক্তচিন্তার মানুষ হন বলেই মনে করা হয়।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *