ভাঙ্গরের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লাকে নিয়ে বড় বার্তা মমতার
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙ্গর তৃণমূলের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র । একসময় এই কেন্দ্রটি তৃণমূলের অধীনে ছিল কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনে এখান থেকে জয়ী হন আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকী । নিজেদের গড় পুনরুদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। সে কারণে দলের অন্যতম সৈনিক শওকত মোল্লাকে এবার ভাঙ্গরের প্রার্থী করেছেন মমতা। আজ শনিবার দুপুরে ভাঙ্গরের ভোজেরহাটের নির্বাচনী সভা থেকে দাঁড়িয়ে জনতার কাছে শওকত মোল্লাকে ভাঙ্গড় থেকে জয়ী করার আবেদন জানান।
ভাঙ্গড়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে শওকত মোল্লাকে জেতানোর আহ্বানের পাশাপাশি তিনি বলেন ” শওকতকে জেতান , ভাঙ্গরে আপনারা যা চাইবেন, তাই করে দেব । কোন নির্দলকে অথবা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এমন কোন দলকে একদম ভোট নয়” । এর পাশাপাশি ভাঙ্গরের তৃণমূল প্রার্থী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন ” শওকতদের সিকিউরিটি তুলে নিতে চায় । বিজেপিকে ওর প্রতি কোন হামলা হলে ছেড়ে কথা বলবো না । হিম্মত নেই ! আমার সঙ্গে লড়তে পারেনা, শওকত মোল্লাদের সঙ্গে লড়াই করে মরছে ” । এখানেই থামেননি তৃণমূল সুপ্রিমো তিনি ভাঙ্গরের তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে বলেন ” আমি বাহাত হলে শওকত আমার ডান হাত । এদের ওপর কোনো অত্যাচার হলে ছেড়ে কথা বলবো না । বিজেপির নেতারা কুড়িটা করে সিকিউরিটি নিয়ে ঘুরবে, আর শওকত যে সিকিউরিটি তুলে নেবে । আমি বলছি মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে খেলবেন না । দরকার হলে আমার সিকিউরিটি তুলে নিয়ে শওকতকে দেব । আমি গুন্ডাদের ভয় পাই না, তবে বিজেপিকে ছাড়বো না ” ।
আগামী ২৯ শে এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ রাজ্যের একাধিক আসনে ভোটগ্রহণ হবে । তার আগে আজকে ১৮ এপ্রিল শনিবার এই জেলার একাধিক কেন্দ্রে নির্বাচনী সভা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । প্রথমে বারুইপুরে তারপর ভাঙ্গরে প্রচারে আসেন তিনি। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যেও তিনি বাড়তি গুরুত্ব দিলেন ভাঙ্গরের প্রার্থী শওকতকে । ভাঙ্গর তাদের পুরানো গড়, সেই গড় পুনরুদ্ধারের মরিয়া তৃণমূল । আজকের সভায় শওকত মোল্লা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য তারই প্রমাণ। এবার মমতার জনসভার পর আগামী ২৫ শে এপ্রিল ভাঙরে সভা করতে আসছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দেখার অপেক্ষায় ভাঙ্গর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কোন দল জয়ী হয় ? লড়াই মূলত তৃণমূল ও আইএসএফের মধ্যে।
