রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের প্রার্থী হওয়ার জট এখনো কাটলো না
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- জট এখনো পর্যন্ত কাটলো না স্বপ্না বর্মনের ভোটে দাঁড়ানোর বিষয়টি । মামলা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল তবুও এখনো কোন রায়দানের খবর আসেনি । গত ২৭ এ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেন স্বপ্না বর্মন সেইদিন তিনি সাংবাদিক বৈঠকও করেছিলেন । প্রশ্ন উঠেছে রেলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তিনি কিভাবে একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হয়েও একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে পারেন ?
সূত্রের খবর , বিষয়টি নজরে আসার পর শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিগত ৯ মার্চ স্বপ্না বর্মনকে শোকজ করে রেল কর্তৃপক্ষ । অভিযোগ ১০ দিনের সময়সীমার মধ্যে সেই শোকজ এর উত্তর তো তিনি দেননি এমনকি যে বিভাগীয় তদন্তের মুখোমুখি তার হওয়ার কথা ছিল সেটাও হননি স্বপ্না । উপরন্ত তিনি 16 ই মার্চ চাকরি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন । কিন্তু রেলের দাবি শোকজের জবাব না পাওয়া পর্যন্ত আপনাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে না । বিষয়টি নিয়ে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের দ্বারস্থ হন রাজগঞ্জের তৃণমূলের প্রার্থী । রেলের আরো বক্তব্য সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যা যা করার সবই অমান্য করেছেন রেলকর্মী। আদালত ক্ষমা চেয়ে তাকে যে চিঠি দিতে বলেছিল সেই নির্দেশও পালন করেননি তিনি । গতকাল ২৭ শে মার্চ শুক্রবার হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল সুদীপ্ত মজুমদার বলেন, ‘আজ স্বপ্না বর্মনের মামলাটি উঠেছিল। শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য রেল তাঁকে শো-কজ় করলেও কোনও জবাব দেননি তিনি। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে বিচারপতি আগামী সোমবার স্বপ্নাকে সংশ্লিষ্ট রেল আধিকারিকের সামনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।’ এ দিনও একটি নীল বাতি লাগানো গাড়িতে চেপে আদালতে হাজির হয়েছিলেন স্বপ্না। পরে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি এখনও বিচারাধীন রয়েছে। সে কারণে আমি কোনও মন্তব্য করব না।’
বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্থে রেলের ডিভিশনাল পার্সোনাল অফিসারের সঙ্গে দেখা করে তাঁর বয়ান রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। আগামী ৬ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। কিন্তু প্রশ্ন অন্য জায়গায়। কারণ, আগামী ২৩ এপ্রিল ওই কেন্দ্রে ভোট হবে বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ৬ তারিখ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ওই দিন আদালতের নির্দেশের পরে কী হবে তাও এখনও স্পষ্ট নয়। স্বপ্নার নির্বাচনে লড়ার জটিলতা থেকেই গেল।
