Chaturbhuja : দশভুজা নয় মা এখানে চতুর্ভুজা রুপী, মোচার ভোগে পূজিত দেবী
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : এখানে মা দশভুজা নয়, মা হলেন চতুর্ভুজা। মা চার হাতে পুজো হচ্ছেন মারগ্রামের মজুমদার বাড়িতে (Chaturbhuja)। এক হাতে ত্রিশূল, এক হাতে খড়্গ, অন্য দুই হাতে চক্র ও শঙ্খ। মা এই রূপেই পূজিত হচ্ছেন বহু বছর থেকে। (Chaturbhuja)দেবী চতুর্ভুজার আরাধনার আগে প্রথমে পুজো করা হয় মা ছিন্নমস্তা রূপের। তারপর মা দুর্গার পুজো করা হয়।
এই পুজোর মূল আকর্ষণ হলো কলা মোচা দিয়ে বিভিন্ন পদের প্রসাদ। মজুমদার বাড়ি সূত্রে জানা যায়,(Chaturbhuja) প্রায় নয় পুরুষ আগে রাজা রাই বাহাদুরের সময় কালে এই পুজোর শুভরম্ভ হয়। কিন্তু কোনো কারণবসত সেই পুজো বন্ধ হয়েছে যায়।(Chaturbhuja) পরবর্তীতে রানী ভবানী স্বপ্নদেশ পাওয়ায় পুনরায় শুরু হয় এই পুজো। সেই সময় থেকে দেবী দুর্গা চতুর্ভুজা রূপে পূজিত হচ্ছেন বলেই জানা গিয়েছে(Chaturbhuja)।
মায়ের রূপে, পুজোয় যেমন রয়েছে এক আলাদা বৈশিষ্ট তেমনি মায়ের (Chaturbhuja)ভোগেও রয়েছে আলাদা এক বৈশিষ্ট। দেবীকে ভোগে নিবেদন করা কলা মোচার বিভিন্ন পদ। যেমন মোচার বড়া, মোচার বড়ার রসা ও মোচা ভাজা। প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই মাকে এই তিনটি পদ রান্না(Chaturbhuja) করে দেওয়া হয়। আবার এই মোচা রান্নাতেও রয়েছে এক অন্য গল্প। তিনদিনে ৮টি করে মোট ২৪ টি কলা মোচা লাগে। এর পাশাপাশি(Chaturbhuja) দেওয়া হয় অন্নভোগ, ১৩ রকম ভাজা, ১৩ রকম তরকারি, মুগের ডাল, চাটনি এবং আমসত্ত্ব দিয়ে তৈরি পরমান্ন। আর থাকে দারুচিনি ও লবঙ্গ গাঁথা একখিলি পান এবং এক গ্লাস জল(Chaturbhuja)।
মাটিতে খেতে বসতে দেওয়ার জন্য মাকে দেওয়া হয় একটি কম্বল আসন(Chaturbhuja)। সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী তিনদিনই মাকে সাজিয়ে গুছিয়ে ভোগ নিবেদন করা হয়। প্রায় ১৫০০ থেকে ১৬০০ মানুষকে এই ভোগ বিতরণ করা হয়েছে থাকে। এই খাওয়া দাওয়ার নীতি(Chaturbhuja) এখনো রয়ে গিয়েছে। দশমীর দিন বদলে যায় মায়ের ভোগের উপকরণ। ধুত্র ফুলের পেছনের অংশের সাথে সিদ্ধি বেঁটে মায়ের পুজোর ভোগ নিবেদন করা হয়। এছাড়া দেওয়া হয় চিড়ে, দই, খই ও নারকেল খণ্ড(Chaturbhuja)। এই পুজোতে নেই কোনো বলির প্রথা। নিরামিষ ১৩ পদে মাকে ভোগ (Chaturbhuja)নিবেদন করেই মায়ের পুজো সম্পন্ন হয়।
পুজোর মূল উদ্যোক্তা তথা মন্দিরের পুরোহিত শ্রীমন্ত মজুমদার জানান, (Chaturbhuja)“আমাদের ৯ পুরুষ পূর্ব থেকেই মা দুর্গা চতুর্ভুজা রূপে পূজিত হয়ে আসছেন। তাছাড়াও সেই সময় থেকেই প্রত্যেকদিন আটটি করে কলার মোচা দিয়ে তৈরী বিভিন্ন পদ মা দুর্গাকে নিবেদন করা হয়। কলার(Chaturbhuja) মোচা ছাড়া আমাদের পুজোর ভোগ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। পুজো শুরুর আগে মন্দিরের মধ্যেই পটের মধ্যে থাকা ছিন্নমস্তার পুজো দিয়েই দেবী দুর্গার (Chaturbhuja)পুজো শুরু হয়। আমাদের পূর্বপুরুষ আমল থেকে চলে আসা পুজোর সমস্ত রীতিনীতি আমরা ধরে (Chaturbhuja)রেখেছি।”
