Earthquake : ২০১৫-র ভূমিকম্পকেও ছাপিয়ে যাবে! হড়পা বানে ১০ হাজার মৃত্যুর আশঙ্কা নেপালে
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ হড়পা বানে তছনছ হয়ে গিয়েছে মধ্য নেপাল (Earthquake)। ত্রিশূলী ও ভোটকোশী নদীর ধ্বংসযজ্ঞে মুহূর্তে মানচিত্র থেকে মুছে গিয়েছে একের পর এক গ্রাম। এক মাস পরেও রক্তক্ষরণ থামেনি পাহাড়ি দেশটির (Earthquake)।
গত ২৬ আগস্ট মধ্য নেপালে যে হড়পা বান আঘাত হেনেছিল,(Earthquake)তা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে ভয়াবহ। প্রবল বৃষ্টির জেরে ত্রিশূলী ও ভোটকোশী নদীতে হড়পা বান আসে। জলের তোড়ে ভেসে যায় বাড়ি-ঘর, সেতু, রাস্তা, বাজার, স্কুল, হাসপাতাল(Earthquake)। পাহাড়ি ঢালে ধস নেমে গোটা গ্রাম চাপা পড়ে যায়।
রবিবার নেপাল পুলিশের তরফে সরকারি ভাবে জানানো হয়, (Earthquake)এখনও পর্যন্ত ১৪৫১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৬ হাজার মানুষ। এক মাস কেটে যাওয়ায় তাঁদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে(Earthquake)। উদ্ধারকারী দল জানাচ্ছে, অনেক জায়গায় এখনও পৌঁছানোই যায়নি। কারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। রাস্তা নেই, সেতু ভেঙে গিয়েছে, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল(Earthquake)।
পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলেছে দেহ শনাক্তকরণ(Earthquake)। দীর্ঘদিন জলের তলায় থাকায় বহু দেহ বিকৃত হয়ে গিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে উদ্ধার হচ্ছে দেহের খণ্ডাংশ। ফলে মৃতের পরিচয় জানা কঠিন হয়ে পড়ছে(Earthquake)। প্রশাসনের কাছে এখনও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই। প্রাথমিক অনুমান, ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
শুধু নেপাল নয়, এই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী চিনেও(Earthquake)। চিনের সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, সেখানে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ অন্তত ৫০০ জন। সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে চিনা প্রশাসনও(Earthquake)।
এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগেলে। বর্তমানে তিনি দিল্লিতে RIS-এর একটি বৈঠকে যোগ দিতে এসেছেন(Earthquake)। সেখানেই তিনি বলেন, এই বিপর্যয় ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের মতোই ব্যাপক। সেবার প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল(Earthquake)। এবার মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন তিনি।
