Karnatak: ‘খুচরো নেই, তাহলে নেমে যান’ মেজাজ সপ্তমে কন্ডাক্টরের, চিনতেই পারলেন না কর্নাটকের পরিবহণ মন্ত্রীকে
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- ‘খুচরো নেই’ নেমে যান! ১০০ টাকা দিতেই মেজাজ হারালেন কর্নাটকের বাস কন্ডাক্টর, চিনতেই পারলেন না পরিবহণমন্ত্রীকে।
যাত্রীর হাতে ১০০ টাকা দেখেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন কন্ডাক্টর। খুচরো দেওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন। তখন যাত্রী জানান, তাঁর কাছেও খুচরো নেই। রাজ্যের পরিবহণ ব্যবস্থা কেমন চলেছে তা দেখতে মুখে মাস্ক পরে সাধারণ যাত্রীর বেশেই তিনি সরকারি বাসে উঠে পড়েছিলেন। তিনি আরও একটি বাসে ওঠেন। সেই বাসটি নির্দিষ্ট স্টপে না দাঁড়িয়ে এগিয়ে যায়। এই বিষয়টিও তাঁর নজরে আসে। একটি অটোতেও তিনি ওঠেন। অটোর ভাড়ার মিটারে ৩০ টাকা দেখাচ্ছিল। কিন্তু অটোচালক তাঁর কাছে ৩৬ টাকা দাবি করেন। কিন্তু মন্ত্রী তাঁকে ৪০ টাকা দিয়ে নেমে যান।
‘খুচরো’ বড় একটি সমস্যা। অটো থেকে বাস সর্বত্র একই সমস্যা। এবার কর্নাটকে সেই একই সমস্যা দেখা দিল। আর সেই সমস্যার শিকার হলেন খোদ পরিবহণ মন্ত্রী। রাজ্যে পরিবহণ ব্যবস্থার হালহকিকত খতিয়ে দেখতে রাস্তায় নামেন তিনি। পোশাক ছিল সাধারণ যাত্রীদের মতো। মুখ ছিল মাস্কে ঢাকা। উঠে পড়েন সরকারি বাসে। প্রথমে সব ঠিক ঠাকই ছিল। বিপত্তি বাধে টিকিট কাটতে যাওয়ার। কন্ডাক্টর এসে টিকিট কাটতে বলেন। মন্ত্রী হেব্বল থেকে নাগাসেত্থিহল্লি যাওয়ার জন্য দুটো টিকিট চান কন্ডাক্টরের কাছে। পকেট থেকে ১০০ টাকা দিতেই কন্ডাক্টর সাফ জানিয়ে দেন, হবে না খুচরো। মন্ত্রী জানান, খুচরো নেই। মেজাজ সপ্তমে ওঠে কন্ডাক্টরের। তিনি বলেন, তাহলে নেমে যান।
একটি সরকারি বাসে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ে বিরক্ত হন মন্ত্রী। সরকারি বাসে প্রতিনিয়ত যাত্রীদের কী ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হয় বুঝতে পারেন তিনি। সেইখান থেকে নেমে অপর একটি বাসে ওঠেন। সেটি আবার নির্দিষ্ট স্টপে না দাঁড়িয়ে এগিয়ে যায়। এই বিষয়গুলি নজরে আসে। সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত পরিবহণমন্ত্রী শহরের বেশ কয়েকটি
বেশ কয়েকটি জায়গায় ঘুরে বেড়ান। তার মধ্যে রয়েছে জয়ামহল, টিভি টাওয়ার, আরটি নগর, সিবিআই রোজ, হেব্বল, মান্যতা টেক পার্ক, হেন্নুরের মতো কয়েকটি জায়গা। অটোতে ওঠেন তিনি। অটোর ভাড়া ৩০ টাকা দেখাচ্ছিল। কিন্তু অটোচালক তার কাছে ৩৬ টাকা দাবি করেন। কিন্তু মন্ত্রী তাঁকে ৪০ টাকা দিয়ে নেমে যান। রাজ্যের পরিবহণের এই অবস্থা দেখা যারপরনাই বিরক্ত কর্নাটকের পরিবহণ মন্ত্রী । যাত্রীদের পরিবহণের কী কী সমস্যা পোহাতে হয় তা নিজে চোখে চাক্ষুষ করলেন তিনি।
যে বাসটি নির্দিষ্ট স্টপেজে দাঁড়ায়নি, সেই বাসের চালক এবং কন্ডাক্টরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।
