Mumbai: ভূমিধসে বিপর্যস্ত মুম্বাইয়ের রেলপথ, ১৭ জুলাই পর্যন্ত ৩০ টি ট্রেন বাতিল
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- প্রবল বৃষ্টিতে ব্যাহত মুম্বাইয়ের জনজীবন। চারদিকে জলে থৈ থৈ। ভাসছে বাণিজ্যনগরী। মুম্বাইয়ের যোগাযোগকারী অন্যতম গণ পরিষেবা ট্রেন চলাচল সম্পূর্ন অকেজো হয়ে পড়েছে। আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত সেন্ট্রাল রেলওয়ে তিরিশটি ট্রেন বাতিল করেছে। ভূমিধসের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রেলওয়ে জানিয়েছে, মুম্বাই ও পুনের সঙ্গে গোরক্ষপুর, গাজিপুর সিটি এবং হজরত নিজামুদ্দিনকে সংযোগকারী বেশ কয়েকটি বিশেষ ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোর ঘাট অংশে ভূমিধসের কারণে সেন্ট্রাল রেলওয়ে ৩০টি দূরপাল্লার ও আন্তঃনগর ট্রেন বাতিল করায় মুম্বাই-পুনে করিডোরে রেল যোগাযোগ ১৭ জুলাই পর্যন্ত ব্যাহত থাকবে। ৬ই জুলাইয়ের প্রবল বর্ষণের ফলে কারজাত ও লোনাভালা স্টেশনের মধ্যবর্তী এলাকায় একাধিক ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, যার ফলে ওই রুটের তিনটি রেললাইনই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মূলত ভোর ঘাট অংশের ঠাকুরওয়াড়ি ও মাঙ্কি হিল কেবিনের কাছে ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে, যার ফলে ট্রেন পরিষেবা দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাহত হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতের কাজ চললেও দুর্গম ভূখণ্ড ও বিপজ্জনক কর্মপরিবেশের কারণে স্বাভাবিক পরিষেবা পুরোপুরি পুনরায় চালু করতে দেরি হচ্ছে। সেন্ট্রাল রেলওয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, তারা ৩০টি ট্রেন পরিষেবা বাতিল করেছে, এর মধ্যে রয়েছে ১৪টি লোকাল ট্রেন, নির্দিষ্ট কিছু দিনের আটটি পরিষেবা এবং আটটি বিশেষ ট্রেন। ১০ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত মুম্বাই ও পুনের মধ্যে চলাচলকারী ডেকান কুইন, ডেকান এক্সপ্রেস ও ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস পরিষেবা এবং সিএসএমটি-হায়দ্রাবাদ এক্সপ্রেস, চেন্নাই এগমোর সুপারফাস্ট মেল ও হুবলি-দাদার এক্সপ্রেসসহ বেশ কিছু দৈনিক ট্রেন পরিষেবা সাময়িকভাবে বাতিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও, এই সময়কালে নির্দিষ্ট কিছু তারিখে মহালক্ষ্মী এক্সপ্রেস, যোধপুর-হাদপসার এক্সপ্রেস, দাদর-সাতারা এক্সপ্রেস এবং দাদর-সাইনগর শিরডি এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলো বাতিল করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, মুম্বাই ও পুনের সঙ্গে গোরক্ষপুর, গাজিপুর সিটি এবং হজরত নিজামুদ্দিনকে সংযোগকারী বেশ কয়েকটি বিশেষ ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ভূমিধসের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শীঘ্রই সব স্বাভাবিক হবে। যাত্রীদের তথ্যের জন্য রেলওয়ের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। অথবা এনটিইএস (NTES) অ্যাপটি দেখে নিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে যে, রেলওয়ের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমেও নিয়মিত তথ্য জানানো হচ্ছে।
