আজকের দিনেবাংলার আয়না

ভূমিধস ও হড়পা বানের কবলে বিপর্যস্ত সিকিম, জারি লাল সতর্কতা

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিম। শুক্রবারের ভূমিধসের পর প্রাণ হাতে করে দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ভূটানে বিভিন্ন নদী ও ঝোরার জল উথলে ওঠায় হড়পা বানের আশঙ্ক দেখা দিয়েছে। সিকিম ও ভুটানে একাধিক রাস্তা অবরুদ্ধ। পাহাড়ে বৃষ্টির জেরে উত্তরের সমতলে বিভিন্ন নদীর জলস্তর বাড়ছে। ভূমিধসের জেরে সিকিমের গুইয়া খোলসায় ইয়াংগাং সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে গেছে। পশ্চিম সিকিমের লেগশিপের কাছে ভূমিধসের রাস্তা ভেসে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে চলেছে। লেগশিপের ওপরের দিকের একটি বাঁকে রাস্তার প্রায় অর্ধেক অংশ ধসে নেমেছে। বাড়ছে বিপদ। ভূমিধসের কবলে লাভা-কোলাখাম রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সিকিমে বৃষ্টিপাতের জেরে তিস্তার জলস্তর বেড়েছে। শিলিগুড়ি-সিকিম সড়ক যোগাযোগের ‘লাইফ লাইন’ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হলেও তীব্র যানজট। পরিবেশ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। অনেকেই ঘুরপথে যাতায়াত করছে। অপরদিকে শুক্রবার রাত থেকে একটানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ভুটানের বিস্তীর্ণ এলাকা। হড়পা বানের কবলে দাওলা খোলা এলাকার গেলেফু-ত্রংসা মহাসড়ক। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই রুটে যান চলাচল বন্ধ রেখেছে ভুটান প্রশাসন। ভুটানের ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর হাইড্রোলজি অ্যান্ড মেট্রোলজি’ সূত্রে খবর, শনিবার রাতে গেলেফুতে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষত বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের সিকিম কেন্দ্র থেকেও উত্তরের পাঁচ জেলাকে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা প্রবল। জেলাগুলোতে ‘লাল’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। পাহাড়ে ভূমিধস ও হড়পা বানের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা প্রবল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *