আজকের দিনেবাংলার আয়না

বর্ষা আসতেই বিপদসীমা ছুঁল তিস্তা, জারি হতে পারে সতর্কতা, মোতায়েন ২০টির বেশি কুইক রেসপন্স টিম

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- কেরলে বর্ষা প্রবেশ করেছে। আর পশ্চিমবঙ্গে তিস্তা ফুঁসতে শুরু করেছে। বর্ষা আসতেই তিস্তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ইতিমধ্যেই তিস্তার জল বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতেই বিপদসীমা ছুঁয়েছে। বুধবার রাতেই মেখলিগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করে সেচ দফতর। বর্ষার মেঘ প্রবেশ করেছে উত্তরবঙ্গে। বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজেছে জলপাইগুড়ি। সিকিমের পাহাড়ে বৃষ্টির জেরে গজলডোবা ব্যারেজ থেকে দফায় দফায় জল ছাড়তে থাকায় জলস্তর বেড়েছে তিস্তায়। বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মেখলিগঞ্জে তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল সেচ দফতর। তবে বৃহস্পতিবার তা তুলে নেওয়া হলেও ফের অবস্থা দেখে সন্ধ্যার দিকে পর পরিস্থিতি বুঝে ফের সতর্কতা জারি হতে পারে। গত বছর নির্ধারিত সময়ে আগেই উত্তরে প্রবেশ করেছিল বর্ষা। অন্যান্য বছরের মতো এই বছর ১ জুনেও বর্ষার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল সেচ দফতর।

এই বছরেও বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজেছে জলপাইগুড়ি। যা সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ড বলে দাবি। মঙ্গলে বর্ষা ঢুকলেও বুধে বৃষ্টি চলছে। ফলে বৃষ্টিতে জলপাইগুড়ির জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। পাহাড়ে বৃষ্টির জেরে তিস্তার নদী জলস্তর বাড়তে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে তিস্তা পাড়ের কৃষকদের মধ্যে। বাংলাদেশ সীমানা সংলগ্ন তিস্তার মেখলিগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় জলস্তর বিপদসীমা ছোঁয়ায় অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সেচ দফতরের উত্তর পূর্ব বিভাগের কন্ট্রোল রুম থেকেও নদীর পরিস্থিতির উপরে নজরদারি চালানো হচ্ছে। বর্ষার সময় নদী বাঁধগুলির উপরে নজর রাখতে কুড়িটির বেশি কুইক রেসপন্স টিম তৈরি বলে খবর সেচ দফতর সূত্রে খবর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *