আজকের দিনেবিশ্ব

‘ট্রাম্পের নীতির মধ্যে কোনও উদারতা নেই’, রুশ তেল কেনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একহাত নিলেন জয়শঙ্কর

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- রুশ তেল কেনা নিয়ে ভারতের উপর মোটেও সন্তুষ্ট নয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই ভারতকে উচিত শিক্ষা দিতে বার বার শুল্ক বাড়িয়েছেন তিনি। আমেরিকার চাপে পড়ে রাশিয়ার কাছ থেকে রুশ তেল কেনা প্রায় বন্ধ করে ভারত। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায়। হরমুজ দিয়ে তেল আমদানি রফতানি বন্ধ করে দেয় ইরান। এই জটিলতার মধ্যে রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারত বিড়ম্বনায় পড়ে। কারণ রুশ তেল দাম বাড়িয়ে দেওয়া পরে চাপে ভারত। একদিনে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক, অপরদিকে আমেরিকাকেও চটাতে চায় না ভারত। এই এই দুই যাঁতাকলে ভারত জানিয়ে দেয়, যেখান থেকে কম টাকায় পাবে সেখান থেকে তেল কিনবে ভারত। এই পরিস্থিতিতে ফের রুশ তেল কেনা নিয়ে ফের আমেরিকাকে বিঁধলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ফিনল্যান্ডের একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে এক সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জয়শঙ্করের স্পষ্ট করে দেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির মধ্যে কোনও উদারতা নেই। তাই ভারত রাশিয়া তেল কিনলেও সেখানে রাশিয়ার প্রতি পক্ষপাতিত্ব হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্টের খামখেয়ালিপনা নিয়ে ভারত যে বিরক্ত সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর।

গতবছর আগস্ট মাসে ভারতীয় পণ্যের উপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপান ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ছিল তেল বিক্রির অর্থ দিয়ে ইউক্রেনে হত্যালীলা চালাচ্ছে রাশিয়া। সেকারণেই রুশ তেল আমদানিকারী দেশগুলিকে শাস্তি দেওয়া হবে। ভারতকে নির্দেশ দেন রুশ তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। এদিকে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ। তেলের বাজার ধসে পড়ে। সেসময়ে ভারতকে রুশ তেল কেনার ‘অনুমতি’ও দেয় আমেরিকা।

জয়শঙ্কর বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ট্রাম্প যেভাবে নৈতিকতা ব্যবহার করছেন, সেটা না করাই উচিত। তিনি বলেন,  যখন আমেরিকার প্রয়োজন, তখন রুশ তেল কিনতে বারণ করা হয়। পরিস্থিতি পালটে গেলি রুশ তেল কিনতে বলা হয়। এই পুরোটাই নির্ভর করছে আমেরিকার সুবিধা-অসুবিধার উপরে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *