Supreme Court : ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের! বিধায়ক পদ খারিজ মামলা হাই কোর্টে ফেরাল শীর্ষ আদালত
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি :- বিধায়ক পদ খারিজ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ধাক্কা খেল কালীঘাট-তৃণমূল। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ জনের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই মামলা খারিজ করে কলকাতা হাই কোর্টে ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আবেদনকারী কলকাতা হাই কোর্টে (Supreme Court) আর্জি জানাতে পারবেন। এজন্য প্রধান বিচারপতি যাতে বিশেষ একটি বেঞ্চ গঠন করেন, সেই নির্দেশও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
রাজ্যে পালাবদলের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর ভেঙে খান-খান হয়ে যায় (Supreme Court)। একের পর এক বিধায়ক দলনেত্রীর সঙ্গ ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেন। এরপরেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সাবিনা ইয়াসমিন-সহ মোট ১০ জন বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন জানিয়ে স্পিকারের কাছে আবেদন জানান কালীঘাটপন্থী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় সোজা শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন তিনি। সেই সময়েই সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিধানসভার স্পিকারকেই। এর জন্য সময়ও বেঁধে দিয়েছিলেন বিচারপতিরা। কিন্তু নির্ধারিত দিনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দেখা যায়, শোভনদেবের আবেদনে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে, তাই তা খারিজ হয়েছে। ফলে সেবারের মতো বড় স্বস্তি পেয়েছিলেন ঋতব্রতরা। পরবর্তীতে ফের সঠিক পদ্ধতি মেনে শোভনদেব আবেদন করতে পারেন, (Supreme Court) তাও জানিয়েছিলেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু।
কিন্তু কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বর্ষীয়ান (Supreme Court) বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ফের একই আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হন। কোন আইনে বিরোধী দলনেতা করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে, কেনই বা তিনি-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজ হবে না, এসব প্রশ্নের জবাব পেতে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব। মামলায় স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর বিরুদ্ধেও তিনি মামলা দায়ের করেন। আজ, বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি (Supreme Court) হয়। শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে সওয়ালে জানান, সুপ্রিম কোর্ট নির্দিষ্ট সময় দিয়েছিল। সেই সময় পেরিয়ে গেলেও স্পিকার ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের পদ খারিজের বিষয়ে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করেননি। তাই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সরাসরি শুনানির আবেদন জানান।
যদিও মামলায় কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ (Supreme Court), সব রাজ্যে সুপ্রিম কোর্টে চলে এলে কীভাবে হবে! ফলে মামলাটি খারিজ করে হাই কোর্টে শুনানির জন্যেই পাঠিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। যদিও পরে এই প্রসঙ্গে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী জানান, হাই কোর্টে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল অস্থায়ীভাবে বিরোধী দলনেতা থাকবেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম নির্দেশ মেনে আমরা ফের হাই কোর্টে (Supreme Court) আবেদন জানাব।
