আজকের দিনেবিশ্ব

ইরানের তেলে আর কোন ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি আমেরিকার

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- ইরানের তেলের জন্য যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই এক মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল আমেরিকা । আগামী ১৯ এপ্রিল সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে তারপরে এই ছাড়ার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না বলে বিবৃতি জারি করে জানিয়ে দিল আমেরিকার ট্রেজারি দপ্তর । দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগে ইরানের উপরে চাপ বজায় রাখার জন্য এই কৌশল অবলম্বন ট্রাম্প প্রশাসনের বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের ।

সূত্রের খবর একাধিক জাহাজে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ করে রেখেছিল তেহরান। তার মধ্যে ছিল পেট্রো ক্যামিকেল পণ্য। ইরান বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যুদ্ধ শুরু হতেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয় । শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রেই ছাড় বজায় রাখা হয়েছিল । সেই পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে হাহাকার ওঠে । আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেল প্রতি তেলের দাম বাড়তে থাকে । এই পরিস্থিতিতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইরানের ওপর এক মাসের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল আমেরিকা যার ফলে মজুত তেলের পুরোটাই বিক্রি করতে পেরেছে ইরান। একটি বিবৃতি জারি করে আমেরিকার ট্রেজারি দপ্তর জানিয়েছে ” সমুদ্রে থাকা জাহাজে মজুদ তেলের উপরে যে ছাড় দেওয়া হয়েছিল তা নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে। তারপরে ছাড়ের মেয়াদ বাড়ানো হবে না ” । মার্কিন প্রশাসন সূত্রে খবর ইরানের বিরুদ্ধে “ইকোনমিক ফিউরি” নামে নতুন নীতি নিয়েছে তারা । এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মেয়াদ বৃদ্ধি না করা এটি তারই অঙ্গ । ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । সেই কারণেই বিভিন্ন রকম কূটনৈতিক নীতির প্রয়োগ করছেন তিনি ।

গত শনিবারে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পরেই হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ শুরু করেছে আমেরিকার সেনা । ইরানের সমস্ত বন্দর ঘিরে ফেলেছে তারা । জাহাজ চলাচলে যার কারণে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্প প্রশাসনের ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের মেয়াদ বা বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে চাপ বাড়ানোর কৌশল বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *