আজকের দিনেভারত

প্রেমিকাকে খুনের পর দেহ তিন টুকরো নৌসেনা কর্মীর, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,বিশাখাপত্তনম: দিল্লির সেই হাড়হিম করা শ্রদ্ধাকাণ্ডের স্মৃতি উসকে দিল অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম। এক নৌসেনা কর্মীর বিরুদ্ধে নিজের প্রেমিকাকে নৃশংসভাবে খুন করে দেহ তিন টুকরো করার অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত যুবকের নাম চিন্তাদা রবীন্দ্র (৩০)। খুনের পর প্রেমিকার দেহের একাংশ ফ্রিজে রাখা এবং মাথা পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ভয়াবহ তথ্য সামনে আসতেই শিউরে উঠছে দেশ।

তদন্তকারীদের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড কোনও আকস্মিক রাগের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এর পিছনে ছিল দীর্ঘ পরিকল্পনা। পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকদিন আগে শ্রীনগরে ছুরি কিনতে গিয়েছিল রবীন্দ্র। সেখানে পছন্দমতো অস্ত্র না পাওয়ায় শেষে অনলাইন থেকে ধারালো ছুরি অর্ডার করে সে। মনে করা হচ্ছে, সেই ছুরি দিয়েই প্রেমিকা মৌনিকার দেহ তিন টুকরো করা হয়। খুনের পর দেহের একটি অংশ ফ্রিজে ভরে রাখে রবীন্দ্র, অন্যটি রাখা ছিল বালির বস্তায়। এমনকি পরিচয় মুছে ফেলতে প্রেমিকার মাথাটি পুড়িয়ে দেয় সে। অভিযুক্ত রবীন্দ্র নৌসেনার একজন প্রযুক্তি কর্মী এবং বিবাহিত। সম্প্রতি সে সন্তানের বাবাও হয়েছে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী ও সন্তান শ্বশুরবাড়িতে থাকায় বিশাখাপত্তনমের ফ্ল্যাটে সে একাই ছিল। সেই সুযোগেই মৌনিকাকে বাড়িতে ডেকে পাঠায় সে। প্রাথমিক অনুমান, কোনও বিষয়ে বচসা চরমে ওঠায় মৌনিকাকে খুন করে রবীন্দ্র।

প্রতিবেশীরা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি পাশের ফ্ল্যাটে এমন বীভৎস কাণ্ড ঘটে গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, খুনের পর রবীন্দ্র তার এক বন্ধুকে ফোন করে গোটা বিষয়টি জানায় এবং পরামর্শ চায়। সেই বন্ধুর কথা মতোই থানায় গিয়ে নিজের অপরাধ কবুল করে সে। পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, “খুন নয়, খুনের পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ আমাদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে। প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় নেওয়া। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *